১৩ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং
Breaking::

Daily Archives: October 23, 2016

কতটা কঠিন বাংলাদেশের কাজটা?

99bca4af09f3c35ee5beafb79310a334-during-sabbir

অবিশ্বাস্যকেই তাড়া করছে বাংলাদেশ। এখনো!

অবিশ্বাস্যই তো! জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য ২৮৬। দিনের আলো শেষ হয়ে যাওয়ায়, সে লক্ষ্য থেকে আজ ৩৩ রান দূরেই থামতে হয়েছে। তাই ‘অবিশ্বাস্য এক জয়’, নাকি ‘একটুর জন্য হলো না’—সেটি এখনই বলা যাচ্ছে না। বাংলাদেশ যদি ২৮৬ রান করেই ফেলে সেটি তো ইতিহাসের অংশই হয়ে যাবে। টেস্ট ইতিহাসই যে এমন কীর্তি দেখেছে খুব কম।
‘খুব কম’কে সংখ্যায় প্রকাশ করলে দেখা যাচ্ছে, সেটি হলো মাত্র ৩৪! টেস্টে ২৮৫ বা তার বেশি রান তাড়া করে জেতার ঘটনা মাত্র ৩৪বার। ২২২৪ টেস্টের ইতিহাসে সংখ্যাটি যে কতটা নগণ্য সেটা বোধ হয় না বললেও চলে। রান তাড়া করে সবচেয়ে বড় জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
২০০৩ সালে অ্যান্টিগা ৪১৭ তারা করে ৭ উইকেট হারিয়েই ৪১৮ রান করে ফেলেছিল ব্রায়ান লারার দল। টেস্টে চার শ তাড়া করে ম্যাচ জেতার ঘটনাই আছে আর মাত্র তিনটি। আর ঠিক ২৮৬ রানের লক্ষ্য পেয়ে ম্যাচ জেতার ঘটনাও আছে একটি। সেটা কিন্তু ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই, ১৯২৯ সালে মেলবোর্ন টেস্টে ৫ উইকেট হারিয়ে খুব সহজেই ম্যাচ জিতে নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া।
কিন্তু কাজটি আসলে অতটা সহজ নয়। মাত্র ৩৪ বার হয়েছে এ ঘটনা, এতেই বোঝা যাচ্ছে কতটা কঠিন এ কাজ। আর শুধু উপমহাদেশ হিসেব করলে সংখ্যাটি নেমে আসে ৮-এ। এবং সবগুলো ঘটনাই হয়েছে গত ২২ বছরের মধ্যে! মজার ব্যাপার হলো এই ৮ বারের মধ্যে মাত্র দুইবার জিতেছে উপমহাদেশের বাইরের কোনো দল জিতেছে এত বড় লক্ষ্য তাড়া করে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে দুবারই প্রতিপক্ষ ছিল বাংলাদেশ।
চতুর্থ ইনিংসে ২৮৬ রানের বেশি রান তাড়া করায় সবচেয়ে সিদ্ধহস্ত অস্ট্রেলিয়া, মোট ১২ বার এ কাজ করেছে অস্ট্রেলিয়া। এরপর সর্বোচ্চ ৫ বার করে করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড। পাকিস্তান ৩ বার করেছে তিনবার। ভারত ও শ্রীলঙ্কার আছে ২বার করে এ কীর্তি করে দেখানোর ঘটনা।
বাংলাদেশ যে এ কীর্তি কখনো করতে পারেনি সেটা না বললেও সবাই জানেন। সত্যি কথা হলো চতুর্থ ইনিংসে ২৮৬-র বেশি রান বাংলাদেশ করতে পেরেছেই মাত্র ৩ বার। প্রথমটি তো অনেকেরই মনে থাকবে, ২০০৮ সালে ঢাকায় ৫২১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাংলাদেশ একপর্যায়ে জয়ের আশাই দেখছিল! শেষে ৪১৩ রানেই সন্তুষ্ট হয়েছিল বাংলাদেশ। অন্য দুই ঘটনা এই চট্টগ্রামেই, ২০১০ সালে ইংল্যান্ড ও ভারতের বিপক্ষে ৩৩১ ও ৩০১ রানের দুটি ইনিংস আছে বাংলাদেশের। তিনটি ম্যাচেই হেরেছে বাংলাদেশ।
কাল তাই নিজেদের ইতিহাস নতুন করে লেখার সুযোগ আছে বাংলাদেশের। খুব বেশি না, মাত্র ৩৩ রানই তো!

পরবর্তী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে: শেখ হাসিনা

awami

দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগকে টানা তৃতীয় বার নির্বাচনে জয়ী করার লক্ষ্যে নেকতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে সব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে হবে। তৃতীয় দফা নির্বাচনে জয়লাভ করতে হলে জনগণের দোরগোড়ায় যেতে হবে। উন্নয়নের কথা বলতে হবে। ব্যাপক প্রচার করতে হবে। জনগণকে বোঝাতে হবে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হবে।

শেখ হাসিনা আজ রোববার সকালে আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে কাউন্সিল অধিবেশনের সূচনা বক্তব্যে একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে। এখানে বসে থাকলে হবে না। কাজ করতে হবে। মানুষের কাছে সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরতে হবে। মানুষকে বোঝাতে হবে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে দেশের উন্নয়ন হবে। গত সাত বছরে আওয়ামী লীগ যে সব কাজ করেছে, তার সুফল জনগণ পাবে আবারও ক্ষমতায় এলে। বিএনপির লুটেরারা ক্ষমতায় এলে সেটা হবে না।

তিনি নেতাকর্মীদের এলাকায় গিয়ে এখন থেকেই আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, জনগণের কাছে যেতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে আওয়ামী লীগকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের সত্যিকারের আর্থ-সামিজক উন্নয়ন হয়, তা জনগণকে বলতে হবে।

শেখ হাসিনা সভাপতি ওবায়দুল কাদের সাধারণ সম্পাদক

awami

আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে দলটির সভাপতি হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ওবায়দুল কাদের। আজ রোববার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন রমনার ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে সভাপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী।

এসময় উপস্থিত কাউন্সিলররা কণ্ঠভোটে সম্মতি জানান।

এছাড়া দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নাম প্রস্তাব করেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

পরে কাউন্সিলররা কণ্ঠভোটে সম্মতি দিলে নির্বাচন কমিশনার ইউসূফ হোসেন হুমায়ুন আনুষ্ঠানিকভাবে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের নাম ঘোষণা করেন।