১৩ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং
Breaking::

Daily Archives: October 2, 2016

পাকিস্তানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকবে-প্রধানমন্ত্রী

untitled

পাকিস্তানের সাথে চলমান কূটনৈতিক সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশটির সাথে ঝগড়াঝাঁটিও চলবে আবার কূটনৈতিক সম্পর্কও থাকবে। পাকিস্তান মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত শক্তি। আর আমরা বিজয়ী জাতি। এখন তাদের পছন্দের লোকদের বিচার হচ্ছে। তাই তারা তো অনেক কিছুই বলবে এবং কাঁদবে এটা স্বাভাবিক। তবে তারা কোনো কিছু নিয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ করতে চাইলে আমরা কূটনৈতিকভাবে তার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

আজ রোববার বিকেলে গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সফর সম্পর্কে অবহিত করতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে তিনি জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদান, কানাডা সফর, দুটি পুরস্কার গ্রহণ, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের পুরস্কার গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া এবং বিভিন্ন সেমিনারে বক্তব্য দেয়াসহ ১৬ দিনের সফরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

১২ অক্টোবর থেকে ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ

ইলিশ রক্ষায় প্রধান প্রজনন মৌসুমে এ বছর আগামী ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ মাছ ধরা ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে সরকার। আজ রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় দেশের ২৭টি জেলায় এই ইলিশ ধরার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের অংশ হিসেবে ২২ দিন চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, শরীয়তপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকা, মাদারীপুর, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, জামালপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, খুলনা, কুষ্টিয়া ও রাজশাহী জেলার সব নদ-নদীতে ইলিশ ধরা বন্ধ থাকবে।

এই ২২ দিন ইলিশ আহরণ, বিতরণ, বিপণন, কেনাবেচা, পরিবহন, মজুদ, বিনিময়সহ সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। এ সময় মাছের আড়ত, হাটবাজার ও বিপণিবিতানগুলোতে (চেইন শপ) অভিযান পরিচালিত হবে।

এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানের সাত হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকাকে ইলিশের প্রজননক্ষেত্র হিসেবে ঘোষণার কথাও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে।

জামায়াতের নতুন আমীর মকবুল আহমদ

jamat

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর হিসেবে শপথ নিয়েছেন মকবুল আহমাদ। শনিবার রাতে সংগঠনের মজলিসে শূরার সদস্যদের অধিবেশনে শপথ নেন তিনি।

নতুন আমীরকে শপথ পড়ান আমীর নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রধান নির্বাচন কমিশনার জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা এটিএম মাসুম। ওই অধিবেশনে থাকা এক জামায়াত নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ওই নেতা জানান, অতি গোপনীয়তার সঙ্গে এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্র জানায়, সারা দেশের রুকনদের ভোটে মকবুল আহমাদ আমীর পদে সর্বাধিক ভোট পেয়েছেন। ২২ সেপ্টেম্বর রাতে ভোট গণনা শেষে এ ফলাফল নির্ধারিত হয়।

১০ আগস্ট আমীর নির্বাচনের জন্য প্যানেল চূড়ান্ত করে জামায়াতের মজলিসে শূরা। এতে শূরার ২৭৭ জন ভোট দেয়। ভোটের হিসাবে চূড়ান্ত প্যানেলে স্থান পান ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমাদ, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান ও নায়েবে আমীর মুজিবুর রহমান।

১৬ আগস্ট থেকে রুকনদের ভোট গ্রহণ শুরু হয়। ৫ সেপ্টেম্বর শেষ হয়। জামায়াতের আমীর পদে নির্বাচনের জন্য সারা দেশে দলের ৪২ হাজার ভোটার (রুকন) ছিল। নতুন আমীর মজলিসে শূরার সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে সেক্রেটারি জেনারেলের নাম ঠিক করবেন।

জামায়াতের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, নির্বাচিত আমীরই জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলকে বেছে নেন। যদিও নতুন আমীর মজলিসে শূরার সদস্যদের মতামত নেন। তবে সেক্রেটারি নির্বাচনে আমীরের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

চীন-ভারতের পানি যুদ্ধ কি অত্যাসন্ন

পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি বাতিল করার বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করছে ভারত। এর মধ্যেই তিব্বতে ব্রহ্মপুত্রের একটি শাখানদী বন্ধ করে দিল চীন। চীনের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ব্যয়বহুল হাইড্রো প্রজেক্টের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তিব্বত হয়ে ভারতের অরুণাচল প্রদেশে এসে পড়ে জিয়াবুকু নামে ব্রহ্মপুত্রের এই শাখানদী। তবে জিয়াবুকু বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভারতের তার কতটা প্রভাব পড়বে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

২০১৪ সালে তিব্বতের জিগজে অঞ্চলে জিয়াবুকুর ওপর এই হাইড্রো প্রজেক্টের কাজ শুরু করে চীন। ২০১৯ সালে এর কাজ শেষ হওয়ার কথা। ৪.৯৫ বিলিয়ন ইউয়ান বা ৭৪০ মিলিয়ন ইউএস ডলার বাজেটের এই জলবিদ্যুত্ প্রকল্প এখনও পর্যন্ত চিনের সবচেয়ে খরচ সাপেক্ষ হাইড্রো প্রজেক্ট। উত্তর-পূর্ব ভারত এবং বাংলাদেশ এই নদীর নিম্ন তীরবর্তী অঞ্চল। ব্রহ্মপুত্রের এই শাখানদীর প্রবাহ বন্ধ করে দেয়ায় তার কতটা প্রভাব ভারত ও বাংলাদেশে পড়বে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে জিয়াবুকুর ওপর তৈরি এই ড্যামে পানি আটকানো যায় না বলে দাবি করেছে চীন। ভারতের উদ্বেগ মাথায় রেখেই তারা যেকোনো সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছে বেজিং।

গত বছর চীনে ব্রহ্মপুত্রের ওপর নির্মিত জ্যাম হাইড্রোপাওয়ার স্টেশন ভারতের উদ্বেগ বাড়ায়। গত মার্চে কেন্দ্রীয় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সানওয়ার লাল জাট বিবৃতি দিয়ে জানান, এ বিষয়ে চীনের সঙ্গে কথা বলেছে ভারত। ভারত ও চীনের মধ্যে কোনো পানিবণ্টন চুক্তি নেই। এই অবস্থায় দুই দেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত নদীগুলির পাটিবণ্টন বিষয়ে ২০১৩-তে একটি ‘এক্সপার্ট লেভেল মেকানিজম’ চূড়ান্ত করে ভারত ও চীন। পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধুচুক্তি খারিজ করতে পারে ভারত। তারই পাল্টা হিসেবে পাকিস্তানের বন্ধু দেশ চীন এই পদক্ষেপ করল কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অনেকে মনে করছেন তাহলে কি চীন-ভারত- পাকিস্তানের পানি যুদ্ধ অত্যাসন্ন!!

বিদায় নিচ্ছে রকীব কমিশন কাঁধে ব্যর্থতার দায়

cec

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দায়িত্ব পালনকালে সীমাহীন ব্যর্থতা, ইসিকে দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা এবং এই প্রতিষ্ঠানের মানমর্যাদা ও স্বাধীন সত্তা বিকিয়ে দেয়ার অভিযোগ মাথায় নিয়ে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে বিদায় নিচ্ছেন রকীব কমিশন।
কাজী রকীবউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে বর্তমান নির্বাচন কমিশন (ইসি) ২০১২ সালে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে বিভিন্ন নির্বাচনের আয়োজন করে। কিন্তু প্রতিবারই নিরপে, শান্তিপূর্ণ ও সহিংসতামুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যর্থ হয়। নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় নির্বাচনী এলাকায়। ভয়ভীতি ও বাধার কারণে মনোনয়নপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হন প্রার্থীরা। অনেক প্রার্থী জমা দিলেও ক্ষমতাসীনদের চাপে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হন। এর পরেও নির্বাচন কমিশন ছিল নির্লিপ্ত। রকীব কমিশন নিজেই নির্বাচনপ্রক্রিয়া ধ্বংসের আয়োজন করেছে বলে কড়া সমালোচনা করেছেন নির্বাচন বিশ্লেষকেরা।

এ টি এম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশনের পর ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সার্চ কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ পান কাজী রকীবউদ্দিন আহমদসহ পাঁচ সদস্যের কমিশন। তৎকালীন প্রধান বিরোধী দল বিএনপি কমিশন নিয়োগে রাষ্ট্রপতির সংলাপে গেলেও নিয়োগের পরপরই কমিশনের বিরোধিতা করে।

বর্তমান কমিশন দায়িত্ব নেয়ার পর রংপুর, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, গাজীপুর ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আয়োজন করে। এই নির্বাচনগুলো অনেকটা শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ করার চেষ্টা করে ইসি। এরপর ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন করে চরমভাবে বিতর্কিত হয়ে পড়েন ইসি। অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে নির্বাচনের আগে বিনাভোটে ১৫৩ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ ছাড়াও মনোনয়নপত্র জমা ও প্রত্যাহারে অনিয়ম, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রত্যাহার না করলেও পেছনের তারিখে অনেকের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। বাকি আসনগুলোতেও ভোট হয় একতরফা। এই নির্বাচনেই মূলত নির্বাচন কমিশনের স্বাধীন সত্তা ভূলুণ্ঠিত হয়। পরিণত হয় দলীয় কমিশনে। ইসির বিরুদ্ধে সরকারের অনুগত কর্মী হিসেবে কাজ করার অভিযোগ করে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো।

জাতীয় নির্বাচনের অব্যবহিত পরে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও ব্যর্থতার পরিচয় দেয় কমিশন। খোদ ইসির তথ্যানুযায়ী, ২০১৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রথম ধাপের নির্বাচনে ৬৪টি কেন্দ্র দখল, দখলের চেষ্টা, জাল ভোটের মতো অনিয়ম ঘটে। ২৭ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপে ৯৮টি কেন্দ্র দখল, দখলের চেষ্টা, জাল ভোট- এসব অনিয়ম ঘটে। এ দিন সহিংসতায় একজন নিহত হন। ১৫ মার্চ তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে সহিংসতা আরো বাড়ে এবং তিনজন নিহত হন। কেন্দ্র দখল, দখলের চেষ্টা, ব্যালট বাক্স ছিনতাই, জাল ভোট- এসব অনিয়ম ঘটে ১৭৫টি কেন্দ্রে। এরপর ২৩ মার্চ চতুর্থ দফা নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালট বাক্স ছিনিয়ে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলা, জাল ভোটের ‘উৎসব’সহ রীতিমতো ‘ভোট ডাকাতি’র ঘটনা ঘটে। পাশাপাশি হামলা, সংঘর্ষ, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে ২২০টি কেন্দ্রে। এ দিন সহিংসতায় নিহত হন চারজন।

বেনাপোল বন্দরের আগুন নিয়ন্ত্রণে

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরের ২৩ নম্বর গুদামে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট প্রায় ৪ ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়। তবে ঘটনাস্থলে এখনও ধোঁয়া কু-লী পাকাচ্ছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা জানান, রোববার ভোর ৬টায় পণ্যাগারের ২৩ নম্বর শেডে আগুন লাগে। প্রথমে ওই শেড থেকে ধোঁয়া উঠতে শুরু করে এবং পরে সেখানে আগুন জ্বলে ওঠে। এক পর্যায়ে আগুন বন্দর শেড থেকে বেনাপোল পোর্ট থানা ভবনে ছড়িয়ে পড়ে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ওই গুদামে পাঁচমিশালি পণ্য ছিল। এগুলোর মধ্যে এসিআই ও গোদরেজ কোম্পানির পণ্য বেশি ছিল। বর্তমানে নতুন করে আগুন ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা নেই বলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান।

যমুনা স্পিনিং মিলের আগুন নিয়ন্ত্রণে

gazipur

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুরে যমুনা শিল্প গ্রুপের সুতার কারখানা যমুনা স্পিনিং মিলের আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবী করেছে ফায়াস সার্ভিস কতৃপক্ষ। তারা জানান, কয়েক ঘণ্টার টানা চেষ্টায় আগুন এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আগুন আর আশপাশে ছড়াবে না। তবে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে আরো কিছুটা সময় লাগবে। ঘটনা তদন্তে দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জয়দেবপুর ফায়ার সার্ভিস জানায়, রবিবার ভোর সোয়া ৫টার দিকে ওই স্পিনিং মিলের একতলা টিনসেড ভবনের তুলার রিসাইক্লিং সেকশন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মূহুর্তেই তা ফিনিসিং ও সুতার গুদামে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে কারখানার নিজস্ব ফায়ার ফাইটিং দিয়ে আগুন নিভানের চেষ্টা কওে ব্যর্থ হলে তারা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়।

খবর পেয়ে প্রথমে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিভানোর কাজে যোগ দেয়। আগুনের ভয়াবহতা বেড়ে গেলে পরে জয়দেবপুর, সাভার ইডিজেডসহ বিভিন্ন স্থান আরো আরো ৮টি ইউনিট আগুনে নেভানের কাজে যোগ দেয়। এখনো পর্যন্ত কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।