১৩ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং
Breaking::

Monthly Archives: October 2016

কতটা কঠিন বাংলাদেশের কাজটা?

99bca4af09f3c35ee5beafb79310a334-during-sabbir

অবিশ্বাস্যকেই তাড়া করছে বাংলাদেশ। এখনো!

অবিশ্বাস্যই তো! জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য ২৮৬। দিনের আলো শেষ হয়ে যাওয়ায়, সে লক্ষ্য থেকে আজ ৩৩ রান দূরেই থামতে হয়েছে। তাই ‘অবিশ্বাস্য এক জয়’, নাকি ‘একটুর জন্য হলো না’—সেটি এখনই বলা যাচ্ছে না। বাংলাদেশ যদি ২৮৬ রান করেই ফেলে সেটি তো ইতিহাসের অংশই হয়ে যাবে। টেস্ট ইতিহাসই যে এমন কীর্তি দেখেছে খুব কম।
‘খুব কম’কে সংখ্যায় প্রকাশ করলে দেখা যাচ্ছে, সেটি হলো মাত্র ৩৪! টেস্টে ২৮৫ বা তার বেশি রান তাড়া করে জেতার ঘটনা মাত্র ৩৪বার। ২২২৪ টেস্টের ইতিহাসে সংখ্যাটি যে কতটা নগণ্য সেটা বোধ হয় না বললেও চলে। রান তাড়া করে সবচেয়ে বড় জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
২০০৩ সালে অ্যান্টিগা ৪১৭ তারা করে ৭ উইকেট হারিয়েই ৪১৮ রান করে ফেলেছিল ব্রায়ান লারার দল। টেস্টে চার শ তাড়া করে ম্যাচ জেতার ঘটনাই আছে আর মাত্র তিনটি। আর ঠিক ২৮৬ রানের লক্ষ্য পেয়ে ম্যাচ জেতার ঘটনাও আছে একটি। সেটা কিন্তু ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই, ১৯২৯ সালে মেলবোর্ন টেস্টে ৫ উইকেট হারিয়ে খুব সহজেই ম্যাচ জিতে নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া।
কিন্তু কাজটি আসলে অতটা সহজ নয়। মাত্র ৩৪ বার হয়েছে এ ঘটনা, এতেই বোঝা যাচ্ছে কতটা কঠিন এ কাজ। আর শুধু উপমহাদেশ হিসেব করলে সংখ্যাটি নেমে আসে ৮-এ। এবং সবগুলো ঘটনাই হয়েছে গত ২২ বছরের মধ্যে! মজার ব্যাপার হলো এই ৮ বারের মধ্যে মাত্র দুইবার জিতেছে উপমহাদেশের বাইরের কোনো দল জিতেছে এত বড় লক্ষ্য তাড়া করে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে দুবারই প্রতিপক্ষ ছিল বাংলাদেশ।
চতুর্থ ইনিংসে ২৮৬ রানের বেশি রান তাড়া করায় সবচেয়ে সিদ্ধহস্ত অস্ট্রেলিয়া, মোট ১২ বার এ কাজ করেছে অস্ট্রেলিয়া। এরপর সর্বোচ্চ ৫ বার করে করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড। পাকিস্তান ৩ বার করেছে তিনবার। ভারত ও শ্রীলঙ্কার আছে ২বার করে এ কীর্তি করে দেখানোর ঘটনা।
বাংলাদেশ যে এ কীর্তি কখনো করতে পারেনি সেটা না বললেও সবাই জানেন। সত্যি কথা হলো চতুর্থ ইনিংসে ২৮৬-র বেশি রান বাংলাদেশ করতে পেরেছেই মাত্র ৩ বার। প্রথমটি তো অনেকেরই মনে থাকবে, ২০০৮ সালে ঢাকায় ৫২১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাংলাদেশ একপর্যায়ে জয়ের আশাই দেখছিল! শেষে ৪১৩ রানেই সন্তুষ্ট হয়েছিল বাংলাদেশ। অন্য দুই ঘটনা এই চট্টগ্রামেই, ২০১০ সালে ইংল্যান্ড ও ভারতের বিপক্ষে ৩৩১ ও ৩০১ রানের দুটি ইনিংস আছে বাংলাদেশের। তিনটি ম্যাচেই হেরেছে বাংলাদেশ।
কাল তাই নিজেদের ইতিহাস নতুন করে লেখার সুযোগ আছে বাংলাদেশের। খুব বেশি না, মাত্র ৩৩ রানই তো!

পরবর্তী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে: শেখ হাসিনা

awami

দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগকে টানা তৃতীয় বার নির্বাচনে জয়ী করার লক্ষ্যে নেকতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে সব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে হবে। তৃতীয় দফা নির্বাচনে জয়লাভ করতে হলে জনগণের দোরগোড়ায় যেতে হবে। উন্নয়নের কথা বলতে হবে। ব্যাপক প্রচার করতে হবে। জনগণকে বোঝাতে হবে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হবে।

শেখ হাসিনা আজ রোববার সকালে আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে কাউন্সিল অধিবেশনের সূচনা বক্তব্যে একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে। এখানে বসে থাকলে হবে না। কাজ করতে হবে। মানুষের কাছে সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরতে হবে। মানুষকে বোঝাতে হবে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে দেশের উন্নয়ন হবে। গত সাত বছরে আওয়ামী লীগ যে সব কাজ করেছে, তার সুফল জনগণ পাবে আবারও ক্ষমতায় এলে। বিএনপির লুটেরারা ক্ষমতায় এলে সেটা হবে না।

তিনি নেতাকর্মীদের এলাকায় গিয়ে এখন থেকেই আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, জনগণের কাছে যেতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে আওয়ামী লীগকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের সত্যিকারের আর্থ-সামিজক উন্নয়ন হয়, তা জনগণকে বলতে হবে।

শেখ হাসিনা সভাপতি ওবায়দুল কাদের সাধারণ সম্পাদক

awami

আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে দলটির সভাপতি হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ওবায়দুল কাদের। আজ রোববার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন রমনার ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে সভাপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী।

এসময় উপস্থিত কাউন্সিলররা কণ্ঠভোটে সম্মতি জানান।

এছাড়া দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নাম প্রস্তাব করেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

পরে কাউন্সিলররা কণ্ঠভোটে সম্মতি দিলে নির্বাচন কমিশনার ইউসূফ হোসেন হুমায়ুন আনুষ্ঠানিকভাবে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের নাম ঘোষণা করেন।

আওয়ামী লীগের সম্মেলনস্থলে ভিআইপি ছাড়া কারো গাড়ি ঢুকবে না

untitle

আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনস্থলে ভিআইপি ছাড়া কোনোন গাড়ি প্রবেশ করবে না। এছাড়া আগামী শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সাধারণ দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।

তিনি বলেন, এই সময়কালে সম্মেলনে আগত অতিথি ও আমন্ত্রিতদের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণও করা হবে।

আজ বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন।

জাতীয় এ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে যেসব সড়কে যানবাহন চালাচল নিয়ন্ত্রিত হবে সে ব্যাপারে নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ।

ডিএমপি কমিশনার জানান, সম্মেলন মঞ্চ নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর আগামী শুক্রবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের নিরাপত্তার পুরো দায়িত্বভার গ্রহণ করবে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। সম্মেলন শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা ওই এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে। এ সময় সোয়াত, র‌্যাব, গোয়েন্দা পুলিশ এবং আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সমন্বয় করা হবে।

তিনি বলেন, এবারের কাউন্সিলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে শাহবাগ, টিএসসি, দোয়েল চত্বর এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। তিনটি কন্ট্রোল রুম থেকে সম্মেলনের পুরো এলাকা তদারকি করা হবে। কারও গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাথে সাথে ব্যবস্থা নেবে। সম্মেলনস্থলে সাতটি গেটে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে সার্চ করে প্রবেশ করানো হবে।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ভেহিকল মিরর সার্চ করে গাড়ি সম্মেলনস্থলে প্রবেশ করবে। উদ্যানের শিখা চিরন্তনের গেট দিয়ে ভিআইপি প্রবেশ করবেন। প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী শিখা চিরন্তনের গেট দিয়ে প্রবেশ করবেন। মূল প্যান্ডেল ও মঞ্চের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে এসএসএফ। এ কাউন্সিলকে ঘিরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

তিনি জানান, ওই সম্মেলনের কাউন্সিলর ও অতিথিদের নির্বিঘ্নে আসা-যাওয়ার জন্য সম্মেলনের দুই দিন শনি ও রোববার (২২ ও ২৩ অক্টোবর) রাজধানীর শাহবাগসহ আশেপাশের বেশ কিছু সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এজন্য বেশ কিছু সড়কে ডাইভারশন করা হবে বলেও জানান তিনি।

ওই দুদিন ট্রাফিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী শনি ও রোববার নগরীর বেশ কিছু এলাকায় ডাইভারশন করা হবে এবং মাইক দিয়ে তা নাগরিকদের জানিয়ে দেয়া হবে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, সম্মেলনের ডেলিগেটস, কাউন্সিলর ও আমন্ত্রিত অতিথিদের চলাচলে যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে সেজন্য আগামী শনিবার থেকে সম্মেলন এলাকার আশপাশে ভবঘুরে, হকার ও সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে। শুধুমাত্র আমন্ত্রিত অতিথি ও দলের পক্ষ থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরাই সম্মেলন এলাকায় প্রবেশের অনুমতি পাবেন। এ সময় সম্মেলনে আগত অতিথিরা কে কোন পথ দিয়ে সম্মেলনস্থলে প্রবেশ করবেন তার দিক নির্দেশনাও দেন তিনি।

এক প্রশ্নের উত্তরে ডিএমপি কমিশনার বলেন, নির্দিষ্ট কোননো হুমকি থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয় নাই। একটি চক্র দৃশ্যমান উন্নয়নকে ব্যাহত করার উদ্দেশে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। দেশ এখন সুপারসনিক গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। একটি চক্র এ উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতেই বিভিন্ন ধরনের চক্রান্ত করে চলছে। তবে নির্দিষ্ট কোনো হুমকির জন্য নয়, সফলভাবে সমাপ্তির জন্যই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এমপিরা আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সভাপতি হতে চান

sangshad_2

এমপিরা আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সভাপতি হতে চান। আর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও তাদের পুনরায় এই পদে বসানোর জন্য আইনি প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে। এমপিরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি পদে থাকতে পারবেন না বলে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছেন, মন্ত্রণালয় তার বিরুদ্ধে আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে মন্ত্রণালয় কমিটিকে জানিয়েছে।

আজ বুধবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয় কমিটিকে এ তথ্য জানিয়েছে।

কমিটির সভাপতি আফছারুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য আবদুল কুদ্দুস, হাছান মাহমুদ, গোলাম মোস্তফা, এস এম আবুল কালাম আজাদ, মামুনুর রশিদ, সেলিনা আক্তার বানু প্রমুখ অংশ নেন।

এসময় সচিব সোহরাব হোসেইনসহ মন্ত্রণালয় ও সংসদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংসদীয় কমিটির বৈঠকে সদস্যরা জানতে চান, সংসদ সদস্যরা যাতে স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতির পদ গ্রহণ করতে পারেন, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

জবাবে সচিব সোহরাব হোসেইন জানান, হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

এরপর কমিটির সভাপতি আফছারুল আমিন বলেন, যেহেতু মন্ত্রণালয় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে, তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটি নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশের বাইরে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণের সুযোগ নেই।

এ বিষয়ে কমিটির সদস্য আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সভাপতির পদ ফিরে পাওয়ার দাবিটি সব এমপিদের। যে কারণে কমিটি মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে বলেছিল। সে অনুযায়ী মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।

বৈঠকে মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষকদের জমা হওয়া অবসর ভাতার আবেদন নিষ্পত্তির জন্য দুই হাজার ৫০০ কোটি টাকা দরকার। অনেক দেনদরবার করে চলতি অর্থবছরে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ৬৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৫০০ কোটি টাকা সিড মানি হিসেবে জমা থাকবে এবং বাকি টাকা দিয়ে দিয়ে শিক্ষক-কর্মচারিদের অবসর ভাতা বাবদ পরিশোধ করা যাবে। তবে বরাদ্দ হওয়া টাকা এখনো তহবিলে জমা হয়নি। সংসদীয় কমিটি শিক্ষকদের দ্রুত অবসর-সুবিধা দেয়ার জন্য শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যমান আইন দ্রুত সংশোধন করে তাদের ফান্ডে জমা থাকা টাকা থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রতি মাসে এই খাতে দেয়ার সুপারিশ করেছে।

মন্ত্রণালয় জানায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২৯৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে আইসিটির মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার প্রচলন প্রকল্পের আওতায় ২৩ হাজার ৩৩১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আইসিটি সামগ্রী বিতরণ করেছে। ছয় হাজার ৫০৬টি মাদরাসায় মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষসহ ফ্রি ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় ৩১ হাজার ৩৪০টি মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ তৈরি করে পাঁচ লাখ ২০ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

সঙ্কট উত্তরণে সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে : ফখরুল

untitle

আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলকে স্বাগত জানিয়ে এর সফলতা কামনা করেছে বিএনপি। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একথা জানান।

”বিএনপি আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যাবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘এখনো আমরা আমন্ত্রণ পাইনি। আমন্ত্রণ পেলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। তাদের এই সম্মেলনকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। আমরা আশা করি, তাদের এই সম্মেলন সফল হবে। একই সঙ্গে এটা আশা করি, এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে আনবার জন্যে তারা তাদের ভুমিকা পালন করবেন। বিএনপি শুধু নয়, দেশের মানুষের একটাই প্রত্যাশা গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবার জন্য আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব উপযুক্ত ভুমিকা পালন করবে।

থাইল্যান্ডের প্রয়াত রাজা ভুমিবলের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সকালে বারিধারার থাই দূতাবাসে শোকবইতে স্বাক্ষর করার পর গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব। এ সময়ে দলের ভাইস চেয়ারম্যান সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, চেয়ারপারসনের প্রেস উইয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘‘ আওয়ামী লীগের যেরকম অতীত ভুমিকা রয়েছে যে, তারা গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন। আবার দুর্ভাগ্য হচ্ছে, তাদের হাতেই বার বার গণতন্ত্র আহত হয়েছে, বিঘ্ন হয়েছে এবং গণতন্ত্র পরাজিত হয়েছে। বর্তমান সংকট সৃষ্টির জন্য ক্ষমতাসীন দলকে দায়ী করে এ থেকে উত্তরণে সরকারকে উদ্যোগী হওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন. ‘‘ দেশে যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, যে সংকট তৈরি হয়েছে, এ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য যেহেত আওয়ামী লীগ এখন সরকারে আছে, উদ্যোগটা তাদেরকেই গ্রহন করা উচিৎ। দেশকে আবার গণতন্ত্রে ফিরিয়ে নিয়ে আনা, মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেয়া- এই দায়িত্বটা তাদেরই পালন করা উচিৎ। আমরা আশা করব, এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে তারা (আওয়ামী লীগ) সেই লক্ষ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহন করবেন।

”আওয়ামী লীগের সম্মেলন জাক-জমকপূর্ণভাবে করা হচ্ছে, বিএনপিকে যেভাবে সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে সম্মেলন করতে দেয়া হয়নি- এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল তাদের সমর্থ অনুযায়ী, পরিবেশ অনুযায়ী তাদের সম্মেলন ও কার্য্ক্রম করবেন। বিএনপি তো দীর্ঘকাল ধরে অভিযোগ করে আসছে, বিএনপিকে শুধূ নয়, বিরোধী দলকে কোনো গণতান্ত্রিক পরিসর বা স্পেস দেয়া হচ্ছে না। শুধু সভা-সমাবেশের ব্যাপারেই নয়, সব ক্ষেত্রেই এখন গণতন্ত্র সংকুচিত শুধু নয়, গণতন্ত্র প্রায় নির্বাসিত হয়ে গেছে। সেই কারণে আমরা মনে করি যে, আওয়ামী লীগ নিজেদের জন্য যে কাজটি করছে, সেই কাজটি অন্যান্য রাজনৈতিক দলকে করার সুযোগ দেবে-এটাই আমরা আশা করি।

ফুটবলেও আছে মোস্তাফিজরা, তুলে আনবে কে!

gy

বল হাতে দৌড় শুরু করলেন মোস্তাফিজুর রহমান। সবাই নড়েচড়ে বসছেন—এবার বুঝি প্রতিপক্ষের একটি উইকেট পড়ে। চোখ সরে না কারোই। ফুটবলের সঙ্গে সম্পৃক্ত লোকজনও উপভোগ করেন ক্রিকেটের ব্যাট-বলের লড়াই। আফসোস করতে ভোলেন না, ফুটবলেও একজন সাকিব, তামিম বা মোস্তাফিজ যদি থাকত!

ফুটবল, ক্রিকেট দুটোই ভিন্ন স্বাদের খেলা। একটির সঙ্গে আরেকটি তুলনীয় নয়। কিন্তু লড়াকু চরিত্র প্রয়োজন দুই খেলাতেই। ক্রিকেটে তা আছে, ফুটবলে একেবারেই নেই। তাই দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল দল ভুটানের কাছেও হারতে হয় আমাদের জাতীয় ফুটবল দলকে! তবে তৃণমূলে চোখ রাখলে একজন সাকিব, তামিম কিংবা মোস্তাফিজের ছায়া ঠিকই মিলবে। প্রতিভার আকাল ফুটবলে কোনোকালেই ছিল না। আগে পরিচর্যা ছিল, এখন নেই। পার্থক্য এই যা।

অথচ গত বছর এই সময়ে সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবলে শ্রেষ্ঠত্বের মালা পরেছে বাংলাদেশ। কিশোরদের গতি আর ছন্দময় ফুটবল মুগ্ধ করেছিল সবাইকে। বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন তখন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ‘এই ছেলেদের দায়িত্ব নিলাম। ওদের গড়ে তুলব ভবিষ্যতের জন্য।’

কিন্তু অভাগা ছেলেরা বাফুফের প্রশিক্ষণ দূরে থাক, কর্তাদের সামান্য একটু দর্শনও আর পায়নি। সাভার বিকেএসপির ১০ ছাত্র তাদের শিক্ষালয়ে চলে গেল। টুর্নামেন্টে দারুণ নৈপুণ্য দেখানো সারোয়ার জামান নিপুকে নিল প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন শেখ জামাল, সাদ ও সজীবকে ঢাকা আবাহনী। অধিনায়ক শাওন ব্রাদার্সে। বাকিরা ছড়িয়ে পড়ল এদিক-ওদিক। তারা এখন কোথায়, কেউ জানে না!

ভাগ্য ভালো নিপুর, চোট থাকায় তাকে নিতেই চাইছিল না শেখ জামাল। তখন দলটির কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক কর্তাদের সঙ্গে জোরাজুরি করে দলে রাখেন সম্ভাবনাময় ছেলেটিকে। পরিচর্যার পর এখন তো উপকৃত হচ্ছে ক্লাবই। বাংলাদেশের ক্লাবগুলো নিজের এই লাভটাই ঠিকমতো বুঝতে অক্ষম। প্রতিভা পরিচর্যা করলে ফলটা তো ক্লাবেরই। এমন প্রতিভা আরও আছে। চট্টগ্রাম আবাহনীতে খেলা কক্সবাজারের ইব্রাহিম, গাইবান্ধার রুবেল মিয়াও বেশ ভালো করছেন। তার মানে প্রতিভা আছে, দরকার শুধু একটু যত্ন নেওয়া।

সেই যত্ন নিতে দরকার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো বা একাডেমি। কিন্তু এই আবশ্যকীয় উপাদানটি বাংলাদেশে ফুটবলে কোনো দিনই গড়ে ওঠেনি। কর্তাদের মধ্যে পরিশ্রমবিমুখতা দেখে বিরক্তি প্রকাশ করে গেছেন এ দেশে আসা সব বিদেশি কোচই। ২০০৩ সালে সাফ জয়ের কারিগর অস্ট্রিয়ান কোচ জর্জ কোটান সব সময়ই রসিকতা করতেন পরিচিত সাংবাদিকদের সঙ্গে, ‘তোমাদের কর্মকর্তাদের আমি খেলোয়াড় তুলে আনার পরিকল্পনা দিলাম। কিন্তু তাঁরা কাগজটা ড্রয়ারে রেখে তালা মেরে দিলেন! ড্রয়ার খুলে আর দেখেন না ওতে কী লেখা আছে।’

এ দেশের জল–হাওয়া গায়ে মাখাতে বারবারই ফিরে ফিরে এসেছেন কোটান। বর্তমানে আবাহনীর কোচের দায়িত্বে থাকা কোটান আজও পেছনে তাকিয়ে মজা করেন, ‘তোমাদের কর্তারা পারেন শুধু একটা কাজ করতে। পায়ের ওপর পা তুলে সাজানো রুমে বসে পিয়নকে ডেকে শুধু বলতে, ‘‘এই চা নিয়ে আয়, কফি নিয়ে আয়!” এটা আমি বাংলাদেশ দলের কোচ থাকার সময়ও কাছ থেকে দেখেছি!’

সময় এগিয়েছে। এটা তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। থ্রিজি, ফোরজি কোনো ব্যাপার না। ঘরে বসেই করে ফেলা যায় সব কাজ। কিন্তু বাংলাদেশের ফুটবলকর্তারা যেন পড়ে আছেন সেই আদি যুগেই। তাঁদের মানসিকতায় এতটুকু পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগেনি। ষাট-সত্তরের দশকে তাঁরা যেভাবে ফুটবল চালিয়েছেন, একবিংশ শতকে এসেও ঠিক সেভাবেই চালিয়ে যাচ্ছেন।

প্রতিভাবান অনূর্ধ্ব-১৬ দলের ছেলেদের দুই বছর তাঁরা একসঙ্গে রাখলেন না স্রেফ নিজেদের উদাসীনতায়। ওই ছেলেরা ছড়িয়ে পড়ল যার যার মতো করে। জাতীয় দল নতুন খেলোয়াড় তাহলে কোথায় পাবে? খেলোয়াড় তো আর আকাশ থেকে পড়বে না!

কথাটা কদিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে বলছিলেন এডসন সিলভা ডিডো, বাংলাদেশের সাবেক কোচ। এই ব্রাজিলিয়ান কোচ থাকার সময় অনেক নতুন খেলোয়াড় গড়ে তোলেন। কিন্তু প্রাপ্য স্বাধীনতা চাওয়ায় তাঁকে বিদায় দিতে দেরি করেনি করিতকর্মা ফেডারেশন! বিদায়ের সময় ডিডো গুলশানের রাস্তায় দাঁড়িয়ে বাফুফে কর্মকর্তাদের এমনভাবে গালাগাল করছিলেন, যা ছাপার অযোগ্য।

এই ফেডারেশন মোস্তাফিজের উঠে আসা দেখেও নড়েচড়ে বসে না। অনুসরণ করে না সেই প্রবাদটা, ‘যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখো তাই, পাইলেও পাইতে পারো অমূল্য রতন!’ ভুটান–লজ্জার পর এই অভিযোগই আসছে ঘুরে-ফিরে। কর্তাদের বোঝা উচিত, সাকিব-তামিমদের মতো সম্পদ ফুটবলেও আছে। যেমন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সারা দেশে প্রতিভা অন্বেষণ করছে এখন, সেখানে কোচেরা উপজেলা পর্যায়ে ঘুরে জানাচ্ছেন, সারা দেশেই নাকি ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আছে অনেক মেধাবী কিশোর। এদের মধ্য থেকে অনেকেই ভবিষ্যতে বড় ফুটবলার হতে পারে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, এরা উঠে আসার সিঁড়িটাই সামনে পায় না।

এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত বাফুফের কোচ সৈয়দ গোলাম জিলানী বলছিলেন, ‘এত এত প্রতিভা দেখে আমরা মুগ্ধ।’ তবে অভিজ্ঞতা বলছে, কোচিং, অর্থ, খাওয়া–পরার ভাবনার বাস্তবতাতেই এরা হারিয়ে যায় অকালেই।’

বাংলাদেশে সমস্যা হলো, ধারাবাহিকতার বালাই নেই। অনূর্ধ্ব-১২, ১৩, ১৪ পর্যায়ে ফেডারেশন মাঝে মাঝে কিছু কাজ করেছে। তা হয়তো কোনো প্রতিযোগিতা সামনে রেখেই। কিন্তু প্রতিযোগিতার পর আর সেই খেলোয়াড়দের খোঁজ রাখেনি ফেডারেশন। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের এই কর্মসূচিও হয়তো একই পরিণতি দেখবে। কর্তারা সুরম্য ভবনে ঠান্ডা বাতাস উপভোগই করে গেলেন। অঙ্কুরেই যে বীজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, সেদিকে কারও কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই!

নেপাল, ভুটানের মতো দেশও একাডেমি গড়ে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনছে। বাংলাদেশ তা করছে না। তাই জাতীয় দল আজ মেধাশূন্য। ক্লাবগুলোও নির্বিকার। অথচ প্রতিটি ক্লাবের বয়সভিত্তিক দল থাকা উচিত। পৃথিবীর সব দেশেই এটি আছে। এ ব্যাপারে ক্লাবগুলোর এগিয়ে আসার বিকল্প দেখছেন না জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আলফাজ আহমেদ। কিন্তু ক্লাব তৈরি পোশাক কেনার মতো ‘তৈরি খেলোয়াড়’ কিনে ১০–১৫ দিনের অনুশীলনে মাঠে নামে। নিচ থেকে খেলোয়াড় তুলে আনার ব্যাপারে তাদের যত অনীহা।

ক্লাবগুলো যখন নিজেদের আগ্রহে কিছু করতে নারাজ, বাফুফের উচিত ছিল, পেশাদার দলগুলোর সঙ্গে নবীনদের যুক্ত হতে সহায়তা করা। ঢাকার পাঁচটি ক্লাবকে বাফুফে যদি অনুরোধ করত সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়ন দলের ২৫টি ছেলেকে দলে নিতে, নিশ্চয়ই তারা তা অগ্রাহ্য করত না। কিন্তু বাফুফে নির্বিকার, তাদের ইগো সমস্যা। অমুক ক্লাবকে অনুরোধ করব, ধেৎ, এটা হয় নাকি!

আশির দশকে দুজন নবীন খেলোয়াড়কে অন্তত তিন বছরের জন্য নেওয়া বাধ্যতামূলক করে দিয়েছিল ফেডারেশন। সে সময় উঠে এসেছিলেন অনেক তারকা ফুটবলার। আজকের প্রতিষ্ঠিত কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক বলেন, ‘আমাকে তিন বছর বাইন্ডিংসে রাখে ব্রাদার্স ইউনিয়ন। তিন বছরের মাথায় আমি আগাখান গোল্ড কাপ খেলেছি।’ এভাবেই নব্বইয়ের দশকে উঠে আসেন জাকির হোসেন, রকিব হোসেন, ইমতিয়াজ আহমেদ নকীব কিংবা জুয়েল রানা, মাসুদ রানারা। আজ সেই বাইন্ডিংস-প্রথা আবার চালু করার কথা বলেন অনেকেই। কিন্তু ক্লাব-ফেডারেশন সবাই বালুতে মুখ গুঁজে আছে।

ভুটান ম্যাচে হেরে যাওয়ার পর সব হারিয়ে আবার সরব বাফুফে সভাপতি। বলছেন, এবার যুব কর্মসূচিতে হাত দেবেন। আট বছর ফুটবলকে নেতৃত্ব দেওয়ার পর নবম বছরে এসে তিনি বলছেন যুব কর্মসূচির কথা। তবে ইংরেজিতে একটা কথা আছে, ‘বেটার লেট দ্যান নেভার!’ দেখা যাক, বাফুফে সভাপতি সত্যি সত্যিই এবার খেলোয়াড় তৈরিতে মনোযোগ দেন কি না!

২০১৭ সালে চালু হবে ফোর-জি : প্রধানমন্ত্রী

untitled

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারের আমলে তথ্যপ্রযুক্তিখাতে অনেক পরিবর্তন এসেছে উল্লেখ করে বলেছেন, দেশের সব জেলায় বর্তমানে থ্রি-জি চালু হয়েছে; ২০১৭ সালে ফোর-জি চালু করা হবে। তিনি বলেন,  দেশে এখন ৬ কোটি ৪০ লাখ লোক ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। আমরা আশা করছি মাত্র অল্প কিছুদিনের মধ্যে দেশের সব মানুষ ইন্টারনেট সুবিধা ভোগ করবে।

বুধবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মেলা ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৬’ উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলাম, সেই স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে চলেছি। কিন্তু এ স্বপ্ন পূরণের পথে যেন অনাকাঙ্খিত বাঁধা না আসে সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

ডিজিটাল সিকিউরিটি কাউন্সিল গঠন করার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাইবার সিকিউরিটিতে আমাদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। যাতে করে কেউ ডিজিটাল সুবিধা ব্যবহার করে অপরাধ করতে না পারে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতে না পারে। তাই আমরা সাইবার অ্যাক্ট ২০১৬ প্রণয়ন করতে যাচ্ছি।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আওয়ামী লীগ সরকার উত্তরোত্তর সফলতা আনছে জানিয়ে তিনি বলেন, ৪০ টি দেশে আমরা আইসিটি সফট ওয়ার রপ্তানি শুরু করেছি। দেশের ২০টি অঞ্চলে হাইটেক পার্ক গড়ে তুলছি।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকারি সেবা পেতে এখন আর মানুষকে হয়রানি হতে হয় না। বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে ইন্টারনেট চালু করায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ ডিজিটাল সেবা পাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে মানুষ এখন দ্রুত সেবা পাচ্ছে, ঘুষ বাণিজ্য হয় না। ই-টেন্ডারের কারণে এখন আর হাওয়া ভবনের মতো টেন্ডার বাণিজ্যের ঘটনাও ঘটে না।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) ও অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) কর্মসূচির পরিচালক কবীর বিন আনোয়ার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর শিকদার, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি মোস্তাফা জব্বার প্রমুখ।

‘ননস্টপ বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে ‘ডিজিটাল ওয়াল্ড মেলা’ শুক্রবার থেকে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

বিচক্ষণতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে লক্ষ্যপানে এগিয়ে যেতে হবে -শিবির সেক্রেটারী জেনারেল

photo_2016-10-18_17-21-36

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারী জেনারেল ইয়াছিন আরাফাত বলেন, ছাত্রশিবির বরাবরই রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়ে চলেছে। কিন্তু কোন বাধাই ছাত্রশিবিরের অগ্রযাত্রাকে দমিয়ে দিতে পারেনি। এখন ষড়যন্ত্রের ডাল পালা আরও বিস্তৃত হয়েছে। তাই বিচক্ষণতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে লক্ষ্যপানে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি আজ ছাত্রশিবির টাঙ্গাইল শহর শাখা আয়োজিত দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। টাঙ্গাইল শহর সভাপতি মোঃ মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মানবাধিকার সম্পাদক শাহ মোঃ শাহফুজুর রহমান ।

শিবির সেক্রেটারী বলেন, আমরা জানি আমাদের আদর্শিক পথ চলায় আদর্শহীনরা বাধার প্রাচির তৈরী করবে। এটাই ঐতিহাসিক বাস্তবতা। ছাত্রশিবির তার জন্মলগ্ন থেকেই এই কঠিন বাস্তবতার সম্মুখ্যিন হয়ে আসছে। কিন্তু পিছু হটেনি। আজ বাংলাদেশে ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের বিরুদ্ধ যে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, সাহস ও বিচক্ষণতার সাথে তার মোকাবেলা করতে হবে। ত্যাগ ও কুরবানীর চরম পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে আমাদেরকে পথ চলতে হবে। কোন ষড়যন্ত্রকে বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেয়া হবে না। বরং প্রতিটি ষড়যন্ত্রকে বুদ্ধিমত্তা ও বিচক্ষণতা দিয়ে মোকাবেলা করেই লক্ষ্যপানে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের শিক্ষাব্যাবস্থা আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। একমুখী শিক্ষাব্যাবস্থা কায়েমের নামে মাদ্রাসা তথা ধর্মীয় শিক্ষাকে সংকুচিত করার পায়তারা চলছে। সরকার পরিকল্পিত ভাবে মাদ্রাসা ছাত্রদের বঞ্চিত করছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদ্রাসা ছাত্রদের ভর্তির উপর চলছে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা। সম্প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রকৃয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রদেকে হাতে গোনা মাত্র কয়েকটি বিষয় ছড়া বাকি বিষয়গুলোতে ভর্তির সুযোগ দেয়া হচ্ছে না, যা কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আমরা অনতি বিলম্বে এই বৈষম্যমুলক নীতি প্রত্যাহার করে যোগ্যতার ভিত্তিতে সকল বিষয়ে মাদ্রাসা ছাত্রদেরকে ভর্তির সুযোগ দেয়ার দাবী জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীলদের চরম ধৈর্য্যরে পরিচয় দিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে যেতে হবে। আল্লাহর সন্তোষ লাভের আশায় আমাদের কাজের গতিকে আরো বাড়াতে হবে। আন্দোলনকে দৃঢ় পদক্ষেপে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। যত প্রতিকূলতাই আসুক না কেন, আমরা আমাদের লক্ষ্য পানে এগিয়ে যাবই ইনশাআল্লাহ।

-বিজ্ঞপ্তি

জামায়াতের আমির হিসেবে মকবুল আহমাদের শপথ গ্রহণ

mokbul

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচিত আমির মকবুল আহমাদ শপথ গ্রহণ করেছেন। আজ সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সামনে তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান জামায়াতে ইসলামীর প্রধান নির্বাচন কমিশনার মাওলানা এটিএম মাসুম। জামায়াতে ইসলামীর রুকনরা গোপন ভোটের মাধ্যমে ২০১৭-২০১৯ কার্যকালের জন্য মকবুল আহমাদকে আমির হিসেবে নির্বাচিত করেন।

আজ সোমবার জামায়াতের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

আমির হিসেবে শপথ নিয়ে তিনি জামায়াতের সর্বস্তরের জনশক্তি ও দেশবাসীর দোয়া কামনা করে বক্তব্যদেন।

দেশ এক সংকটকাল অতিক্রম করছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, দেশে বিরাজমান সমস্যা ও সংকটের সমাধান আমাদের সবাইকে মিলেই করতে হবে। কোনো একটি দলের পক্ষে কিংবা একা সরকাররে পক্ষে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়। দল ও মতের ঊর্ধ্বে উঠে সবার সাথে আলাপ আলোচনা করে জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে চলমান সংকট ও সমস্যা সমাধানের উদ্যেগ গ্রহণের জন্য আমি সরকারের প্রতি আবারও আহবান জানাচ্ছি। আর এজন্য সব দল ও পক্ষের অংশগ্রহণে একটি সফল জাতীয় সংলাপের কোনোই বিকল্প নেই। তবে জাতীয় সংলাপকে সফল করতে হলে প্রয়োজন সংলাপের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা।

বক্তব্যের শুরুতে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুসহ জাতীয় নেতাদের স্মরণ করেন। একই সাথে মরহুম অধ্যাপক গোলাম আযম, মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীসহ জামায়াতের অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের স্মরণ করে বলেন, যারা আমাদের প্রিয় জন্মভুমি বাংলাদেশের জনগণের মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে একটি ইনসাফপূর্ণ ও কল্যাণমুখী সমাজ বিনির্মাণের জন্য আজীবন গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছেন। আর একারণে বর্তমান কর্তৃত্ববাদী সরকার প্রতিহিংসামূলকভাবে তাদের পাঁচজনকে ফাঁসির কাষ্টে ঝুলিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দিয়েছে। দুজন কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্টে জুলুমের শিকার হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন। স্মরণ করেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির পাঁচবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মাওলানা আব্দুস সোবহান এবং মোফাসসিরে কোরআন সাবেক এমপি মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামসহ কারাগারে আটকনেতাকর্মীদের। তিনি ফিলিস্তিন, মিশর, সিরিয়া, লিবিয়া, ইরাকসহ বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের কবলে পড়ে যেসব মানুষ হত্যা, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং কাশ্মিরের জনগণের ন্যায়সঙ্গত দাবিকে যৌক্তিকভাবে মেনে নিয়ে স্থায়ী শান্তির পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রতি আন্তরিক আহবান জানান। মিয়ানমারের নিপীড়িত মুসলমানদের ন্যায্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সে দেশের সরকার এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতিও আহবান জানান।

মকবুল আহমাদ বলেন, আমাদের প্রিয় জন্মভুমি এক কঠিন সংকটের মুখে নিমজ্জিত। দেশে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার না থাকায় গণতন্ত্র অবরুদ্ধ ও মানবাধিকার ভুলুণ্ঠিত। জনগণের নিরাপত্তায় নিয়োজিত সংস্থাগুলোকে ইসলামী দলসহ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনে নগ্নভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে দেশকে কার্যত একটি পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছে। সন্ত্রাস ও চরমপন্থা দমনে সরকার ব্যর্থ হওয়ায় জনগণের মধ্যে হতাশা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। দেশের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে। গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ, অপসংস্কৃতির সয়লাব ও নৈতিক অবক্ষয় চরম আকার ধারণ করেছে। গুম, খুন, নারী ও শিশু নির্যাতন, মাদক ও চোরাচালান ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম, লুটপাট, দলীয়করণ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, অনৈক্য, মিথ্যাচার ও দমনপিড়ন ভয়ানক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। সংখ্যালঘু সম্পদায় ও আজ সরকারি দলের দুবৃত্তদের লুটপাট, দখলদারিত্ব ও নির্যাতনের কারণে অনিরাপদ এবং অতিষ্ট। দারিদ্র, বেকারত্ব, মেধার অবমূল্যায়ন, বৈষম্য, নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা জনজীবনকে নাবিশ্বাস করে তুলেছে। দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বলয় ভেঙে পড়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠা ও ব্যবসা বাণিজ্যের অঙ্গনগুলো সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। এক কথায় মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ও দেশের ভবিষ্যত নিয়ে গোটা জাতি আজ উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাঠাচ্ছে। এমনি প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীর ন্যায় একটি দায়িত্বশীল ও জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী দলের আমির নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণকালে সবার প্রতি আহবান জানাতে চাই, এদেশটি আমাদের সবারই। দেশে বিরাজমান সমস্যা ও সংকটের সমাধান আমাদের সবাইকে মিলেই করতে হবে। কোনো একটি দলের পক্ষে কিংবা একা সরকারের পক্ষ্যে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়। দল ও মতের ঊর্ধ্বে উঠে সবার সাথে আলাপ আলোচনা করে জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে চলমান সংকট ও সমস্যা সমাধানের উদ্যেগ গ্রহণের জন্য আমি সরকারের প্রতি আবারও আহবান জানাচ্ছি। আর এজন্য সব দল ও পক্ষের অংশগ্রহণে একটি সফল জাতীয় সংলাপের কোনোই বিকল্প নেই। তবে জাতীয় সংলাপকে সফল করতে হলে প্রয়োজন সংলাপের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা। সে লক্ষ্যে জামায়াতসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, আলেম উলামা, দেশপ্রেমিক বিবেকবান সাংবাদিক নের্তৃবৃন্দসহ