১৩ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং
Breaking::

Daily Archives: September 28, 2016

চলতি বছর বিএসএফের হাতে এ পর্যন্ত ২৮ জন বাংলাদেশী নিহত

বাংলাদেশি হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে ভারতের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে বিভিন্ন সময়ে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। গত জুলাই মাসে নয়াদিল্লিতে দুই প্রতিবেশী দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে রাজনাথ সিং এই আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন। এরপরও থামছে না সীমান্তে হত্যা। সর্বশেষ গতকাল রোববার ভোরে কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাহারুল ইসলাম নামে ২৫ বছরের এক তরুণ প্রাণ হারিয়েছেন। এ নিয়ে চলতি মাসে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে অন্তত পাঁচজন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন।
সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সাবেক প্রধান ও কূটনীতিকদের মতে, সীমান্ত হত্যা বন্ধে ভারত প্রতিশ্রুতি দিলেও তাতে আন্তরিকতায় ঘাটতি আছে। কারণ সর্বোচ্চ পর্যায়ের আশ্বাসের উল্টোটা মাঠপর্যায়ে ঘটতে থাকলে সেই প্রতিশ্রুতি নিয়ে সংশয় থেকে যায়।
%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0
তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ গতকাল রোববার সন্ধ্যায় মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আগামী মাসে দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর প্রধানদের সম্মেলনে বাংলাদেশের নাগরিক হত্যা বন্ধের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরা হবে। গত কয়েক দিনে সীমান্তে বাংলাদেশের নাগরিক হত্যার প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমরা প্রতিবাদ জানিয়েছি।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
সাধারণত সীমান্তে বিএসএফের হাতে বাংলাদেশের নাগরিক হত্যার পর প্রথমে বিজিবি মৌখিকভাবে ও পরে লিখিতভাবে প্রতিবাদ জানিয়ে থাকে। এরপর বিজিবির কাছ থেকে হত্যার বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়ার পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়ে হত্যার প্রতিবাদ ও তদন্তের দাবি জানায়।
গত রাতে কূটনৈতিক একটি সূত্র এই প্রতিবেদককে জানায়, সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (সিবিএমপি) সইয়ের পর দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সমন্বিত টহল, তথ্য বিনিময়সহ নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে আস্থা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। সীমান্ত হত্যা বন্ধে মাঠপর্যায়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের সংবেদনশীল করার চেষ্টাও আছে।
সাবেক পররাষ্ট্রসচিব মো. তৌহিদ হোসেন গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্যি যে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত হচ্ছে পৃথিবীর একমাত্র সীমান্ত, যেখানে দুই দেশের মধ্যে লড়াই হচ্ছে না; অথচ নিরস্ত্র লোকজনকে গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে। ঘনিষ্ঠ দুই নিকট প্রতিবেশী দেশে সীমান্ত হত্যা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। দুঃখ লাগে, ভারতের মানবাধিকারকর্মীদের এ নিয়ে সোচ্চার হতে দেখা যায় না।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছরের জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিএসএফের হাতে অন্তত ২৮ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন।
প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১ সেপ্টেম্বর লালমনিরহাটের বুড়িরহাট সীমান্তে মহিবুর রহমান (৩৮), ১৮ সেপ্টেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জের তেলকুপি সীমান্তে মো. আবির (২৩), ২৩ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে দুখু মিয়া (২৫) ও ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে জসিম উদ্দিন (২৭) এবং গতকাল রৌমারিতে বাহারুল ইসলাম বিএসএফের হাতে প্রাণ হারান।
আসকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিএসএফের হাতে ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা যথাক্রমে ২৬ (গুলিতে ১২), ৩৩ (গুলিতে ১৬) ও ৪৬ (গুলিতে ৩২) জন।
গত ১৬ মে ঢাকায় বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালকদের বৈঠকে সীমান্ত হত্যার প্রতিটি বিষয়ে যৌথ তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। গতকাল এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, অতীতে সীমান্তে বাংলাদেশের নাগরিক হত্যার পর ভারতের পক্ষ একতরফাভাবে বলা হতো, বিএসএফ আত্মরক্ষার্থে গুলি ছোড়ার কারণে বাংলাদেশের নাগরিক নিহত হয়েছেন। মে মাসের বৈঠকের পর সীমান্তে কোনো হত্যাকাণ্ড ঘটলে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছেন। কাজেই যৌথ তদন্তের সিদ্ধান্তের পর পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) আজিজুর রহমান গতকাল মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, সীমান্তে হত্যা বন্ধে ভারতের পক্ষ থেকে বারবার যে আশ্বাস দেওয়া হয়, তা পূরণে তাদের সদিচ্ছার অভাব আছে। এ কারণেই এ ধরনের বিয়োগান্ত হত্যা অব্যাহত আছে।

অভিষেকে চমক দেখালেন মোসাদ্দেক

179079_3

দারুণ অভিষেক হলো মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের। শেষ পর্যন্ত যা-ই হোক না কেন, বুধবার আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে তার অভিষেকটি স্মরণীয়ই হয়ে থাকবে। দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যেও তিনি কিন্তু ঠিকই আলো ছড়িয়েছেন। তার ব্যাট থেকেই আসে দলের সর্বোচ্চ একক স্কোর। তার দৃঢ়তায় বাংলাদেশের স্কোর ২০০ ছাড়িয়ে যায়। ইনিংসের ছক্কা পর্যন্ত তিনি হাঁকিয়েছেন। তিনি হাঁকান দুই দুটি ছক্কা।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে রুবেল হোসেন রান আউটটা না হলে তিনি হাফসেঞ্চুরিটাও পেতে পারতেন। তিনি ৪৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৪৫ বলের ইনিংসে তিনি ৪টি চার আর ২টি ছক্কা মেরেছেন। রুবেলের আউটের মাধ্যমে শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস।

১০ম উইকেটে তিনি আর রুবেল ৪৩ রানের অতি গুরুত্বপূর্ণ পার্টনারশিপ উপহার দিয়েছেন। আর বাংলাদেশের স্কোর শেষ হয়েছে ২০৮ রানে, ৪ বল বাকি থাকতে।

বাংলাদেশে আবারো শুরু হচ্ছে ব্রিটিশ কাউন্সিলের কার্যক্রম

aux_british_council

বাংলাদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিলের সব অফিস সোমবার থেকে খোলা থাকবে। এর মাধ্যমে সাধারন মানুষের সাথে ব্রিটিশ কাউন্সিলের যত কার্যক্রম ও পরিসেবা আছে সেসবও পুনরায় শুরু হচ্ছে।

আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়ে বলা হয়, বিবিধ সংস্কার কাজের জন্য সাময়িক বন্ধের পর চট্টগ্রাম, সিলেট ও ঢাকার কার্যালয়ে সকলকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রস্তুত ব্রিটিশ কাউন্সিল।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পিয়ারসন এডএক্সেল এক্সামিনেশনস জানুয়ারি ২০১৭-এর সেশনের জন্য নিবন্ধন ২২ সেপ্টম্বর শুরু হয়েছে। শেষ হবে আগামী ১৩ অক্টোবর। স্কুল থেকে যেসব শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে তারা নিজ নিজ স্কুলের সঙ্গে যোগাযোগ করে ইউনিক স্কুল ক্যান্ডিডেট রেজিষ্ট্রেশন লিংকে গিয়ে নিবন্ধন করতে পারবে।

এছাড়াও প্রাইভেট ক্যান্ডিডেট যারা আছে তারা তাদের ওয়েবসাইট www.britishcouncil.org.bd-এ গিয়ে পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট এবং দিনাজপুরের সকল পরীর্ক্ষীদের জন্যই উক্ত সেবাটি দিয়ে যাবে ব্রিটিশ কাউন্সিল।

অক্টোবর ও নভেম্বর, ২০১৬ এর আইইএলটিএস এর তারিখগুলো এখন উন্মুক্ত।আইইএলটিএস এর প্রার্থীরা অনলাইনে ielts.britishcouncil.org এই লিঙ্কটির মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ব্রিটিশ কাউন্সিলের ইংরেজি ভাষা শিক্ষার চতুর্থ টার্ম শুরু হবে আগামী ১২ অক্টোবর। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে লেভেল টেস্টের জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন। এজন্য তারা ঢাকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও উত্তরা এবং চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ টিচিং সেন্টারগুলোতে ইংরেজি শিক্ষার কোর্সের জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন। এছাড়াও, ব্রিটিশ কাউন্সিল এর সকল ব্যবসায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও কর্মশালা অব্যাহত থাকবে।

কার্যক্রম অস্থায়ীভাবে বন্ধ থাকার সময় ক্রমাগত সহায়তায় জন্য ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ সরকার, সকল শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সহযোগিদের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়েছে।

সূত্র : বাসস

রাবিতে ডিজিটাল উপস্থিতি নিয়ে শিক্ষকদের অসন্তোষ

RU

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ডিজিটাল অ্যাটেনডেন্স মনিটরিং সিস্টেম’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এই পদ্ধতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। তবে এই পদ্ধতি নিয়ে ব্যাপক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি নেতারা ভিসির সাথে দেখা করে শিক্ষকদের অসন্তোষের কথা জানান।

জানা যায়, গত ২৮ আগস্ট তারিখে ৪৬৭তম সিন্ডিকেটের সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীর আগামী ১ অক্টোবর থেকে ‘ডিজিটাল অ্যাটেনডেন্স মনিটরিং সিস্টেম’ মাধ্যমে হাজিরা প্রাদান করতে হবে এমন একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সেন্টার সূত্রে জানা গেছে, এই পদ্ধতিতে প্রত্যেকের হাজিরার রেকর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে। প্রতিটি বিভাগের কার্যালয়ে একটি করে মনিটিরিং ডিভাইস বসানো হয়েছে। এই ডিভাইসে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্মার্টকার্ড পাঞ্চ করতে হবে। প্রতিটি ডিভাইসের সঙ্গে একটি করে ক্যামেরা লাগানো আছে। কার্ড পাঞ্চ করার সময় এই ক্যামেরায় কার্ড বহনকারীর স্থিরচিত্র উঠবে।

এদিকে এই সিদ্ধান্তের পর থেকে অধিকাংশ শিক্ষককের মধ্য অসন্তোষ দেখা দেয়। তাদের মতে, এতে শিক্ষকদের নিয়ন্ত্রণ করা হবে, যা তাদের মর্যাদা ক্ষুন্ন করবে। বিষয়টি নিয়ে জরুরী ভিত্তিতে গত সোমবার সন্ধ্যায় মিটিংয়ে বসে শিক্ষক সমিতি। মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর মো. শহীদুল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর শাহ্ আজম শান্তনুর নেতৃত্বে সমিতির নেতৃবৃন্দ বিশ^বিদ্যালয় ভিসি প্রফেসর মুহম্মদ মিজানউদ্দিনের সাথে দেখা করে। এসময় তার ডিজিটাল উপস্থিতির বিষয়ে শিক্ষকদের অভিমতগুলো তুলে ধরেন এবং এই সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানান।

জানতে চাইলে বিশ^বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহ আজম শান্তনু বলেন, ‘১৯৭৩ এর আইন অনুযায়ী শিক্ষকেরা বিবেকের কাছে দায়ী থাকবেন। কিন্তু এই পদ্ধতি এ্যাক্টের উপর একধরনের হস্তক্ষেপ এবং শিক্ষকদের অমর্যাদাকার অবস্থায় ফেলে দেওয়া হচ্ছে।’

এসময় তিনি বলেন, ‘বিশ^বিদ্যালয় জ্ঞান সৃষ্টির জায়গা, আর জ্ঞান সৃষ্টি কখনো বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে সম্ভব না।’

এব্যাপারে বিশ্¦বিদ্যালয় ভিসি প্রফেসর ড. মুহম্মদ মিজানউদ্দিন বলেন, ‘শিক্ষকেরা হয়তো ভাবছেন এই পদ্ধতির মাধ্যমে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা হবে। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ে সেবার মান বৃদ্ধি করা, দক্ষতা বৃদ্ধি করা। সেই সঙ্গে কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিয়ে আসা।’

দেশে বিনিয়োগের অনেক সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে : তোফায়েল

index%e0%a7%8d

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনেক সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বিভিন্ন স্থানে একশ’টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন। বেশ কিছু বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীগণ এসব স্পেশাল ইকোনমিক জোনে বিনিয়োগ করছেন।

মন্ত্রী আজ সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে হাইতির ন্যাশনাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কস অথরিটির মহাপরিচালক কার্ল ফ্রিডারিকমেরি ফিলিপ ডেব্রোস ও বাংলাদেশের হামিম গ্রুপের এমডি একে আজাদের নেতৃত্বে একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করতে গেলে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, হামিম গ্রুপ হাইতিতে তৈরি পোশাক খাতে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হাইতি যুক্তরাষ্ট্রে শুল্কমুক্ত তৈরি পোশাক রফতানি করতে পারে। এ খাতে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ লাভজনক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সফররত হাইতির ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে মুগ্ধ বলে উল্লেখ করেন।

প্রতিনিধিদলের প্রধান বলেন, বিনিয়োগের জন্য হাইতিতে জমি, বিদ্যুৎ, দক্ষ শ্রমিকসহ প্রয়োজনীয় ব্যবসায়িক সুযোগ সুবিধা রয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে তৈরি পোশাক খাতে ব্যাপক উন্নতি করেছে। এ খাতে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা অনেক। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা হাইতিতে তৈরি পোশাক খাতে বিনিয়োগ করলে উভয় দেশ উপকৃত হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, হাইতির ন্যাশনাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কস অথরিটির কনসালটেন্ট জোসেফ পিয়েরি লিওনেল ডিলেটর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে

indexv

কনটেইনার পরিবহনকারী গাড়ির মালিক ও শ্রমিকদের কর্মবিরতির কারণে গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পণ্যবোঝাই ১৭৭ একক কনটেইনার রপ্তানি করা যায়নি। কনটেইনারবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় এসব রপ্তানি পণ্যের কনটেইনার এখনো ডিপোতে আটকা পড়ে আছে। কর্মবিরতির কারণে পণ্য রপ্তানি কার্যত বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, গতকাল ভোরে জোয়ারের সময় এমভি আরসুলা নামের একটি জাহাজ মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাং বন্দরের উদ্দেশে চট্টগ্রাম বন্দরের জেটি ত্যাগ করে। রপ্তানি পণ্যভর্তি ১৭৭ একক কনটেইনার না পেয়ে জাহাজটি বন্দরের জেটি ত্যাগ করেছে। একই প্রতিষ্ঠানের পরিচালনাধীন এমভি এক্সপ্রেস লোটসি জাহাজও রপ্তানি পণ্যের ৬৭০ একক কনটেইনার জাহাজে বোঝাই করতে পারেনি। আজ বুধবার ভোরে এটির বন্দরের জেটি ছেড়ে যাওয়ার কথা। একইভাবে ওইএল কলম্বো নামের আরেকটি জাহাজও রপ্তানি পণ্যভর্তি অন্তত ৫০ একক কনটেইনার পায়নি।

কনটেইনার পরিবহনের গাড়ির মালিক ও শ্রমিকদের সংগঠন চট্টগ্রাম প্রাইম মুভার ট্রেইলার মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ডাকে গত সোমবার সকাল আটটা থেকে এ কর্মবিরতি শুরু হয়। মহাসড়কে ওজন স্কেলে কনটেইনারবাহী গাড়ির চালকদের হয়রানি করার অভিযোগ এনে গত রোববার রাতে এ কর্মসূচি ডাকা হয়। কর্মসূচির কারণে এই সংগঠনের আওতাধীন আট হাজার গাড়িতে আমদানি-রপ্তানি পণ্যবোঝাই কনটেইনার আনা-নেওয়া বন্ধ রয়েছে। এসব গাড়ি ছাড়া কনটেইনার পরিবহন করা যায় না।

নাসার নতুন ‘চমক’ কি এলিয়েন?

jupiter

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীরা শিগগিরই নতুন একটি ‘চমক’ হাজির করতে যাচ্ছেন। এমন আভাস দিয়ে বলা হচ্ছে, এ চমক হতে পারে আমাদের এই সৌরজগতে এলিয়েন বা ভিনগ্রহের প্রাণীর গতিবিধি আবিষ্কারের তথ্য।

বৃহস্পতির চাঁদ ইউরোপার ছবি বিশ্লেষণ করে নাসার গবেষকেরা আসছে সোমবার নাগাদ ওই উপগ্রহপৃষ্ঠের নিচে থাকা সমুদ্র সম্পর্কে তথ্য জানাতে পারেন। ১ হাজার ৯০০ মাইল প্রশস্ত এই উপগ্রহের বরফাছাওয়া খোলসের নিচে বিশাল সমুদ্র থাকতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকেরা। এই সমুদ্র গবেষকেদের আরও বেশি আকৃষ্ট করছে ইউরোপার পাথুরে আবরণ। যার মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটানোর মতো উপাদান থাকতে পারে।

হাবল টেলিস্কোপ ব্যবহার করে ইউরোপার নতুন এই ছবিগুলো তোলা হয়েছে। এর পাশাপাশি ইউরোপার রহস্য উদ্‌ঘাটনে সেখানে নভোযান পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন গবেষকেরা। ওই মিশনে নভোযান ১ হাজার ৭০০ মাইল থেকে শুরু করে ১৬ মাইল উচ্চতায় ৪৫ বার ইউরোপাকে চক্কর দেবে। ওই মিশনের ফলেই ইউরোপার বর্তমান অবস্থার কথা জানা যাবে।

গত মে মাসে নাসার প্লানেটারি ভূপ্রকৃতিবিদ স্টিভ ভ্যান্স বলেন, পৃথিবীর মতোই ইউরোপার সমুদ্রে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন চক্র সেখানকার সামুদ্রিক রসায়ন ও সেখানকার সম্ভাব্য জীবনের জন্য মূল চালিকা রূপ হতে পারে। তথ্যসূত্র: আইবিটাইমস

গুগলের উড়ুক্কু গাড়ি

terrafugia_tf-x_rendering_39_0

ঢাকা শহরে জ্যামে বসে থাকতে থাকতে উড়ুক্কু গাড়ির কথা ভাবার লোকের সংখ্যা নেহাত কম নয়। বর্তমানে বিশ্বে বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে উড়ুক্কু গাড়ি সময়ের দাবি। সে দাবি মেটাতে উড়ুক্কু গাড়ি তৈরির স্বপ্ন দেখছেন গুগলের প্রধান নির্বাহী ল্যারি পেজও। উড়ুক্কু গাড়ি তৈরির প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে—এমন দুটি উদ্যোগের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা।

গত বৃহস্পতিবার ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উড়ুক্কু গাড়ির একটি প্রকল্পে ১০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন ল্যারি পেজ।
উড়ুক্কু গাড়ি তৈরির প্রকল্পে কাজ করা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওই দুটি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে জি ডট অ্যারো ও কিটি হক।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যালিফোর্নিয়ার হোলিস্টারের একটি বিমানবন্দর থেকে সম্প্রতি পরীক্ষামূলকভাবে উড়ুক্কু গাড়ি চালানো হয়েছে। ২০১০ সাল থেকে জি ডট অ্যারো এ গাড়ি তৈরিতে কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার রিসার্চ সেন্টারে গাড়ি তৈরির কারখানা আছে প্রতিষ্ঠানটির। এই প্রতিষ্ঠানের মতোই কিটি হকও একই উদ্যোগ নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

সার্ক শীর্ষ সম্মেলন স্থগিত

saarc

আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় ১৯তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। পাকিস্তানে এই সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল। ‘বিরাজমান পরিস্থিতিতে’ ভারত এতে অংশ নিতে পারছে না বলে জানানোর প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

সার্কের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে ভারত তার সিদ্ধান্তের বিষয়টি নেপালকে জানানোর পর দেশটি এই সিদ্ধান্ত নেয়।

উল্লেখ্য, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, কোনো একটি দেশ অংশ নিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সার্ক শীর্ষ সম্মেলন স্থগিত হয়ে যায়।
কাশ্মিরে ভারতীয় একটি সামরিক ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে প্রবল উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
সূত্র : কাঠমান্ডু পোস্ট