৭ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং
Breaking::

মসলার বাজারে উত্তাপ ছড়াচ্ছে রসুন-আদা

mosla_featured-750x422

প্রতি বছরই কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সক্রিয় হয়ে ওঠে মসলা সিন্ডিকেট। ব্যতিক্রম হয়নি এবারো। মসলা সিন্ডিকেট এবার টার্গেট করেছে রসুন ও আদাকে। মসলার বাজারে এবার উত্তাপ ছড়াচ্ছে এ দু’টি পণ্য। অন্যান্য মসলার দামও বেড়েছে অনেক। সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থার দুর্বলতার সুযোগে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অসাধু ব্যবসায়ীরা ক্রেতার পকেট কাটছে বলে অভিযোগ অনেকের।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত এক সপ্তাহে প্রতি কেজি আদার দাম বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। রসুনেরও একই অবস্থা। প্রতি কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ৩ থেকে ৫ টাকা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি লবঙ্গ ২৫০, জিরা ৭০, এলাচ ২৫০, গোলমরিচ ২৫০, শুকনো মরিচ ২০ ও ধনে ২০ টাকা করে বেড়েছে।
দেশের সর্ববৃহৎ পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জের আড়তে বর্তমানে চীনা রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৬৭ টাকা দরে। অথচ খুচরা পর্যায়ে ২০০ টাকার কমে রসুন পাওয়া যাচ্ছে না। ভোক্তাদের অভিযোগ অস্বাভাবিক লাভ করছেন দোকানিরা। একই অবস্থা চীনা আদার ক্ষেত্রেও। পাইকারিতে যে আদা ৯০ থেকে ১০০ টাকা, সেটি খুচরায় ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে বার্মিজ আদা ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বাজারে গতকাল প্রতি কেজি লবঙ্গ ১৩০০, জিরা ৪৫০, এলাচ ১৯০০, দারুচিনি ৩০০, কিশমিশ ৩৫০, গোলমরিচ ১২০০ ও ধনে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়। শুকনো মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকা কেজি দরে। দেশী পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৪৮, আমদানি করা পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩৫, দেশী রসুন ১৬০ থেকে ১৭০, আমদানি করা চীনা রসুন ১৯০ থেকে ২০০ ও আদা বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে। মোকাম থেকে বেশি দামে কিনতে হয় বলে দাম বেড়েছে এমনটি জানান বিক্রেতারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.