১৩ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং
Breaking::

Monthly Archives: September 2016

ভারত-পাকিস্তান সংঘাত: দুই দিকেই প্রস্তুতি

pakistani-airspace

নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অভিযানের পর দুই দেশেরই সীমান্তের অনেক জায়গায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে গ্রামবাসীদের সরিয়ে নেয়া হচ্ছে।

ভারতীয় পাঞ্জাব রাজ্যে আন্তর্জাতিক সীমান্তের দশ কিলোমিটার এলাকার গ্রামগুলো থেকে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে গতরাত থেকেই।

কলকাতায় বিবিসি বাংলার সংবাদদাতা অমিতাভ ভট্টশালী জানাচ্ছেন, পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরে ভারতীয় সেনার হামলার পরে এখন ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে দেখা দিয়েছে পাকিস্তানের জবাবী হামলার আশঙ্কা।

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে বা গোটা জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যে এধরণের কোনও সরকারী নির্দেশ না দেওয়া হলেও জম্মু এলাকার সীমান্তবর্তী গ্রামগুলি থেকে বহু মানুষ নিজ-উদ্যোগেই সরে যাচ্ছেন বলে তিনি জানান।

এদিকে, পাকিস্তান থেকে বিবিসির সংবাদদাতারা জানাচ্ছেন যে সেখানেও সীমান্তের কিছু এলাকা থেকে মানুষজন সরে যাচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সূত্রগুলি বলছে নিয়ন্ত্রণ রেখা পার করে তাদের কথায় ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ চালানো হয়েছিল বুধবার রাতে, তারপরে নিয়ন্ত্রণ রেখার অন্য দিক থেকে গুলিবর্ষন হয়েছে বৃহস্পতিবার রাতে।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই জম্মুর ডেপুটি কমিশনার সিমরণদীপ সিংকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, অখনূর সেক্টরে পাকিস্তানী ফরোয়ার্ড পোস্ট থেকে গুলি চালানো হয়েছে রাত বারোটা থেকে দেড়টার মধ্যে। পল্লনওয়ালা, চপড়িয়াল আর সমনাম এলাকায় এই গুলি বর্ষণ হয়েছে বলে তিনি জানান। তবে এই ঘটনায় কোনও হতাহতের কোনও খবর নেই।

এধরণের আরও জবাবী হামলা হতে পারে, এই আশঙ্কায় পাঞ্জাব আর জম্মু এলাকায় আন্তর্জাতিক সীমান্ত এবং নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছাকাছি গ্রামগুলো থেকে সাধারণ মানুষদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ সিং বাদল জানাচ্ছেন, “বৃহস্পতিবার সকালেই যখন সার্জিকাল স্ট্রাইকের ব্যাপারে জানানো হয়, তারপরেই সীমান্ত থেকে গ্রামবাসীদের সরিয়ে দেওয়া শুরু করেছে সরকার।”

স্থানীয় সাংবাদিকরা বিবিসি-কে জানিয়েছেন ছয়টি সীমান্তবর্তী জেলার অন্তত এক হাজার গ্রাম খালি করানো হচ্ছে। স্থানীয় গুরুদোয়ারাগুলি থেকে গ্রাম খালি করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে মাইকে। প্রতিটি জেলায় গ্রাম খালি করা এবং মানুষদের দেখভালের জন্য একেক জন করে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। স্কুলবাড়ি বা গুরুদোয়ারাগুলোতে রাখা হচ্ছে সীমান্ত অঞ্চল থেকে চলে আসা মানুষদের।

তবে যেসব মানুষদের গ্রাম থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাদের অনেকে বলছেন যে তারা পেকে ওঠা ফসল ক্ষেতেই ফেলে রেখে তাদের চলে যেতে হচ্ছে। যদিও পাঞ্জাব সরকার বলছে ফেলে যাওয়া ঘরবাড়ি বা ফসলের ক্ষেত পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা করছে তারা। সব পুলিশকর্মীর ছুটি বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, জম্মু-কাশ্মির রাজ্যের সীমান্ত অঞ্চল থেকেও মানুষজন জবাবী হামলার আশঙ্কায় ঘর ছেড়ে চলে যেতে শুরু করেছেন।

বিএসএফ-এর একজন কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন যে সরকারী ভাবে সরে যাওয়ার কোনও নির্দেশ জারি হয়নি, কিন্তু অনেকেই আতঙ্কে ঘর ছাড়ছেন। বিশেষত জম্মু অঞ্চলে গতকাল থেকে এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সীমান্ত বা নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছাকাছি যেসব মানুষ থাকেন, তাদের একাংশের সঙ্গে কথা বলে শ্রীনগর থেকে বিবিসি-র সংবাদদাতা রিয়াজ মাশরূর জানাচ্ছেন দুই দেশের যুদ্ধবিরতি ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন তারা।

এর আগেও যখন যুদ্ধবিরতি ভেঙ্গেছে, সেইসব সময়ের কথা মনে করে বাসিন্দারা বিবিসিকে বলেছেন, গোলাবর্ষন হলে সব থেকে কঠিন পরিস্থিতিতে সীমান্তের মানুষদেরই পড়তে হয়। কখন কার বাড়িতে গোলা এসে পড়বে, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই।

– বিবিসি

বাংলাদেশ সীমান্তে সতর্কতা জারি

পাকিস্তানের সঙ্গে টানটান উত্তেজনার আবহে বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে পাক মদতে জঙ্গিরা গোলমাল পাকাতে পারে আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সেনাবাহিনীর আশঙ্কার কথাও বিএসএফকে জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, উত্তরবঙ্গে সম্পূর্ণ সীমান্ত ধরে কড়া নজরদারি চালাতে। আর এজন্য বিএসএফের জওয়ানদের সব ছুটি আপাতত বাতিল করা হয়েছে। বিএসএফের পাশাপাশি সীমান্তবর্তী শহরগুলিতেও কড়া নজরদারি চালাতে বলা হয়েছে। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের গতিবিধির ওপরও নজর রাখতে বলা হয়েছে।

এদিকে বিএসএফের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে সীমান্ত এলাকা থেকে গরুর হাটগুলো সরিয়ে নেয়ার জন্য ফের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এর আগেও বিএসএফের পক্ষ থেকে একই অনুরোধ জানানো হয়েছে। সীমান্তে ভারত থেকে বাংলাদেশে মূলত চোরাচালান হলেও এবার বাংলাদেশ থেকেও চোরাচালান বেড়ে চলেছে। বিএসএফ সম্প্রতি জানতে পেরেছে, সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে রসুন আসা গত কয়েক মাসে বেড়ে গিয়েছে।

সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় পুলিশ বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে আসা প্রায় ২ হাজার কেজি রসুন আটক করেছে। জেলা পুলিশ সূত্রে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের রসুনের কোয়া অনেক বড় এবং দামেও সস্তা। আর এরই সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশ থেকে রসুন পাচার বেড়ে গিয়েছে।

সাবেক এমপি মাওলানা মীম ওবায়দুল্লাহর মৃত্যুতে জামায়াতের শোক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি মাওলানা মীম ওবায়দুল্লাহ আজ ৩০ সেপ্টেম্বর বাদ মাগরিব বার্ধক্যজনিত রোগে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইনড়বা লিল্লাহি ……… রাজিউন)।

তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তিনি স্ত্রী, ৩ পুত্র ও ২ কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গিয়েছেন। আগামীকাল ১ অক্টোবর সকাল ১১টায় রহনপুরা গ্রামের মাঠে মরহুমের নামাজা জানাজা শেষে তাকে নিজ বাড়িতে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হবে। তিনি বহু দিন পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীরের দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি ১৯৮৬ সালে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার রহনপুরা গ্রামে। তিনি দীর্ঘ দিন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ক্সস্বরাচার বিরোধী আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ১৯৮৭ সালে জামায়াতের যে ১০ জন জাতীয় সংসদ সদস্য পদত্যাগ করেছিলেন তিনি ছিলেন তাদের অন্যতম।

তিনি তার দীর্ঘ কর্মময় জীবনে ইসলামী সমাজ কায়েমের আন্দোলনে এবং দেশের জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে গিয়েছেন। শোকবাণী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি মাওলানা মীম ওবায়দুল্লাহর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর জনাব মকবুল আহমাদ এবং নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান আজ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ এক যুক্ত শোকবাণী প্রদান করেছেন। শোকবাণীতে তারা বলেন, মাওলানা মীম ওবায়দুল্লাহর ইন্তেকালে আমরা একজন সৎ, দক্ষ, প্রবীণ আলেমে দ্বীন ও রাজ‣নতিক সহকর্মীকে হারালাম।

বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলে ইসলামী আন্দোলনের কাজের ভিত্তি স্থাপন এবং গতিশীল করার লক্ষ্যে তিনি নিরলস পরিশ্রম করেছেন। তার এ ভূমিকা ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের নিকট স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি ক্সস্বরাচার বিরোধী আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ১৯৮৭ সালের ডিসেম্বর মাসে জাতীয় সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করে স্বার্থ ত্যাগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। মরহুমের জীবনের সকল নেক আমল কবুল করে আল্লাহ তাকে জানড়বাতে উচ্চ মর্যাদা দান করুন। তারা মরহুমের শোক-সন্তপ্ত পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেন, আল্লাহ তাদের এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

‘আটক’ সৈন্যকে মুক্ত করতে পাকিস্তানের দ্বারস্ত ভারত

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্র রাজনাথ সিং শুক্রবার বলেছেন, ‘পাকিস্তানে আটক’ এক ভারতীয় সৈনিকেরে মুক্তির জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার নিয়ন্ত্রণরেখা (লাইন অব কন্ট্রোল) বরাবর ভারতের কথিত ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইকস’ চালানোর সময় ওই সৈন্য পাকিস্তানে আটক হয় বলে পাকিস্তানি মিডিয়ায় প্রকাশিত হয।

বৃহস্পতিবার ভারতীয় কর্তৃপক্ষ সার্জিক্যাল স্ট্রাইকস চালানোর কথা প্রকাশ করার সময় তাদের কোনো সৈনিক আটক বা হতাহত হওয়ার কথা জানায়নি। তারা দুই পাকিস্তানি সৈন্য নিহত হওয়ার কথা জানায়। কিন্তু পাকিস্তানের দি নিউজ, ডনসহ বিভিন্ন পত্রিকায় বলা হয় ভারতীয় আক্রমণের সময় পাকিস্তান সমুচিত জবাব দেয়। এতে ভারতের ৮ থেকে ১৪ সৈন্য নিহত হয়। এছাড়া এক সৈন্যকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। তবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং সরকার বলে আসছে, তাদের ভূখণ্ডে কোনো ধরনের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকস হয়নি। পুরোটাই ভারতের সাধারণ মানুষকে শান্ত করতে একটি ধাপ্পাবাজি।

তবে প্রবীণ সাংবাদিক হামিদ মিরসহ বিভিন্ন বিশ্লেষক বলে আসছেন, অভিযান হয়েছে। আর এতে ভারতের বিপুল ক্ষতি হয়েছে।
ভারতীয় মিডিয়া জানায়, রাজনাথ বলেছেন, পাকিস্তানে এক ভারতীয় সৈন্য নিহত হওয়ার মিডিয়া প্রতিবেদন ভারত সরকার গুরুত্ব দিয়ে নিয়েছে। ভারত বিষয়টি পাকিস্তানের কাছে উপস্থাপন করবে।

আটক সৈন্যটি ৩৭ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের বলে জানানো হয়েছে। আটক ভারতীয় সৈন্যের নাম চান্দু বাবুলাল। তার বয়স ২২ বছর। তিনি পাকিস্তান ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছিলেন বলে জানানো হয়।

রাজনাথ বলেন, এ ধরনের সীমান্ত অতিক্রম করা সামরিক বা বেসামরিক লোকজনের জন্য অস্বাভাবিক কিছু নয়। বিরাজমান ব্যবস্থার আলোকে এসব ফেরত দেয়া হয।

মিলিটারি অপরাশেন্স ডিজি লে. জেনারেল রনবির সিংয়ের মাধ্যমে পাকিস্তানকে বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে বলা হয়।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

নেতাকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত প্রধানমন্ত্রী

নেতাকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হলেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সফর শেষে আজ সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে দেশে ফিরলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসসভবন গণভবন পর্যন্ত রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে সংবর্ধনা দেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

এ সময় ঢাক-ঢোলের তালের তালে বিপুল করতালি, নানা স্লোগানে মুখরিত থাকে পুরো সংবর্ধনা রুট। নেতাকর্মীদের হাতে হাতে ফুলের তোড়াসহ নানা ধরণের ব্যানার, ফেস্টুন এবং বেলুনও শোভা পায়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও হাত নেড়ে রাস্তার দু’পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা নেতাকর্মীদের সংবর্ধনার জবাব দেন।

এর আগে সন্ধ্যা ছয়টা ৪২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইনসের বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বিষয়টি সংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।

বিমানবন্দরে মন্ত্রিসভার সদস্যরা তাকে স্বাগত জানান।

বিমান থেকে নেমে আসার পর প্রথমে সংসদ উপনেতা ও আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী প্রদানমন্ত্রীকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান।

এ সময় শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বানিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক ও জন প্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, এলজিআরডি মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সটি করপোরেশনের দুই মেয়রসহ সরকারের বিভিন্ন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী একে একে সবার সাথে কুশল বিনিময় করেন। পরে তিনি তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনের উদ্দেশে রওয়ানা করেন। সাতটার পর পরই তিনি গণভবনে পৌঁছেন।

প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহরকে স্বাগত জানানোর জন্য পথে পথে আওয়ামী লীগ নেতাদের ছিল উপচে পড়া ভিড়।

রাস্তার দুই ধারে দঁড়িয়ে হাজার হাজার নেতাকর্মী প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। এ সময় নানা স্লোগান দেন তারা। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে এর জাবাব দেন।

বিকেল পাঁচটা ২০ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমানটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা থাকলেও দুবাইয়ে যাত্রবিরতিতে সময় বেশি নেয়ায় প্রায় দেড় ঘণ্টা বিলম্বে বিমানটি অবতরণ করে।

প্রধানমন্ত্রীর অবতরণ বিলম্বে হলেও তাকে অভ্যর্থনা জানাতে অপেক্ষমান নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরক্তির ছাপ ছিলনা।
দুপুরের আগ থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ আশেপাশের জনপদ থেকে হাজার হাজার কর্মী অবস্থান নেন বিমানবন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত সড়কে। ট্রাক, পিকআপ ও গাড়িতে করে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা নিয়েও আসেন কেউ কেউ। আবার কেউে আসেন হাতি ঘোড়ার গাড়ি নিয়ে। সবার লক্ষ্য একটাই। প্রধানমন্ত্রী যাওয়ার পথে অভিনন্দন জানাতে চায় সবাই।

তবে সড়কে অবস্থান নেয়া নেতা-কর্মীদের চাপে ফার্মগেট থেকে মহাখালী পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। গাড়িগুলো বিকল্প পথ দিয়ে মহাখালী হয়ে চলাচল করে। এতে শুক্রবার ছুটির দিনও এই পথে দীর্ঘ যানজট দেখা দেয়। যাতে ভোগান্তিতে পড়েন ছুটির দিনে বের হওয়া মানুষ এবং পরীক্ষার্থীরা।

কানাডায় গ্লোবাল ফান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘের ৭১তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী।

৪০ বছরে নৌ দুর্ঘটনায় ৪,৬৭১ মানুষের মৃত্যু

১৯৭৬ সাল থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত বিগত ৪০ বছরে ৫৯৫টি নৌদুর্ঘটনায় চার হাজার ৬৭১ জনের প্রাণমৃত্যু হয়েছে।

আজ সংসদে সরকারি দলের সদস্য এম এ আউয়ালের এক প্রশ্নের জবাবে নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের পক্ষে পানি সম্পদ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিগত ৪০ বছরে নৌদুর্ঘটনায় ৫১০ জন আহত হন এবং ৪৬৬ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

তিনি বলেন, ২০০৩ সালে সর্বাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়। তখন ৩১টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৪৬৪ জন মানুষের মৃত্যু হয়। এছাড়া ১৯৮৬ সালে ১১টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৪২৬ জনের মৃত্যু হয়, ১৯৯৪ সালে ২৭টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৩০৩ জনের মৃত্যু হয়, ২০০০ সালে নয়টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৩৫৩ জন, ২০০৫ সালে ২৮টি দুর্ঘটনা ঘটে এতে ২৪৮ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া ২০০৯ সালে ৩৪টি নৌ-দুর্ঘটনায় ২৬০ জনের মৃত্যু হয়।

পাকিস্তান নয়, ভারতই একঘরে হয়েছে : কেজরিওয়াল

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এক টুইটবার্তায় বলেছেন, পাকিস্তান নয়, ভারতই আন্তর্জাতিকভাবে বন্ধুহীন হয়ে পড়ছে।

ভারতের একটি জাতীয় দৈনিকে কাশ্মিরের সেনা ঘাটিতে সন্ত্রাসী হামলা নিয়ে একটি প্রতিবেদনে পাকিস্তানের পক্ষে মন্তব্য করা হয় এতে বলা হয়, উরি হামলার পর পাকিস্তান নয়, ভারতই আন্তর্জাতিকভাবে একঘরে হয়ে পড়ছে। কেজরিওয়াল সেটি সমর্থন করে টুইট করেন।

কেজরিওয়াল মঙ্গলবার টুইট করেন, ‘দুর্দান্ত আর্টিক্যাল। উরিতে পাকিস্তান নয়, ভারতই মনে হচ্ছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একঘরে হচ্ছে।’

তার এই মন্তব্যের পর ভারতের অনেকে তার সমালোচনা করছেন।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

চলতি বছর বিএসএফের হাতে এ পর্যন্ত ২৮ জন বাংলাদেশী নিহত

বাংলাদেশি হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে ভারতের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে বিভিন্ন সময়ে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। গত জুলাই মাসে নয়াদিল্লিতে দুই প্রতিবেশী দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে রাজনাথ সিং এই আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন। এরপরও থামছে না সীমান্তে হত্যা। সর্বশেষ গতকাল রোববার ভোরে কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাহারুল ইসলাম নামে ২৫ বছরের এক তরুণ প্রাণ হারিয়েছেন। এ নিয়ে চলতি মাসে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে অন্তত পাঁচজন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন।
সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সাবেক প্রধান ও কূটনীতিকদের মতে, সীমান্ত হত্যা বন্ধে ভারত প্রতিশ্রুতি দিলেও তাতে আন্তরিকতায় ঘাটতি আছে। কারণ সর্বোচ্চ পর্যায়ের আশ্বাসের উল্টোটা মাঠপর্যায়ে ঘটতে থাকলে সেই প্রতিশ্রুতি নিয়ে সংশয় থেকে যায়।
%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0
তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ গতকাল রোববার সন্ধ্যায় মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আগামী মাসে দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর প্রধানদের সম্মেলনে বাংলাদেশের নাগরিক হত্যা বন্ধের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরা হবে। গত কয়েক দিনে সীমান্তে বাংলাদেশের নাগরিক হত্যার প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমরা প্রতিবাদ জানিয়েছি।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
সাধারণত সীমান্তে বিএসএফের হাতে বাংলাদেশের নাগরিক হত্যার পর প্রথমে বিজিবি মৌখিকভাবে ও পরে লিখিতভাবে প্রতিবাদ জানিয়ে থাকে। এরপর বিজিবির কাছ থেকে হত্যার বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়ার পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়ে হত্যার প্রতিবাদ ও তদন্তের দাবি জানায়।
গত রাতে কূটনৈতিক একটি সূত্র এই প্রতিবেদককে জানায়, সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (সিবিএমপি) সইয়ের পর দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সমন্বিত টহল, তথ্য বিনিময়সহ নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে আস্থা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। সীমান্ত হত্যা বন্ধে মাঠপর্যায়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের সংবেদনশীল করার চেষ্টাও আছে।
সাবেক পররাষ্ট্রসচিব মো. তৌহিদ হোসেন গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্যি যে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত হচ্ছে পৃথিবীর একমাত্র সীমান্ত, যেখানে দুই দেশের মধ্যে লড়াই হচ্ছে না; অথচ নিরস্ত্র লোকজনকে গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে। ঘনিষ্ঠ দুই নিকট প্রতিবেশী দেশে সীমান্ত হত্যা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। দুঃখ লাগে, ভারতের মানবাধিকারকর্মীদের এ নিয়ে সোচ্চার হতে দেখা যায় না।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছরের জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিএসএফের হাতে অন্তত ২৮ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন।
প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১ সেপ্টেম্বর লালমনিরহাটের বুড়িরহাট সীমান্তে মহিবুর রহমান (৩৮), ১৮ সেপ্টেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জের তেলকুপি সীমান্তে মো. আবির (২৩), ২৩ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে দুখু মিয়া (২৫) ও ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে জসিম উদ্দিন (২৭) এবং গতকাল রৌমারিতে বাহারুল ইসলাম বিএসএফের হাতে প্রাণ হারান।
আসকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিএসএফের হাতে ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা যথাক্রমে ২৬ (গুলিতে ১২), ৩৩ (গুলিতে ১৬) ও ৪৬ (গুলিতে ৩২) জন।
গত ১৬ মে ঢাকায় বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালকদের বৈঠকে সীমান্ত হত্যার প্রতিটি বিষয়ে যৌথ তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। গতকাল এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, অতীতে সীমান্তে বাংলাদেশের নাগরিক হত্যার পর ভারতের পক্ষ একতরফাভাবে বলা হতো, বিএসএফ আত্মরক্ষার্থে গুলি ছোড়ার কারণে বাংলাদেশের নাগরিক নিহত হয়েছেন। মে মাসের বৈঠকের পর সীমান্তে কোনো হত্যাকাণ্ড ঘটলে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছেন। কাজেই যৌথ তদন্তের সিদ্ধান্তের পর পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) আজিজুর রহমান গতকাল মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, সীমান্তে হত্যা বন্ধে ভারতের পক্ষ থেকে বারবার যে আশ্বাস দেওয়া হয়, তা পূরণে তাদের সদিচ্ছার অভাব আছে। এ কারণেই এ ধরনের বিয়োগান্ত হত্যা অব্যাহত আছে।

অভিষেকে চমক দেখালেন মোসাদ্দেক

179079_3

দারুণ অভিষেক হলো মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের। শেষ পর্যন্ত যা-ই হোক না কেন, বুধবার আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে তার অভিষেকটি স্মরণীয়ই হয়ে থাকবে। দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যেও তিনি কিন্তু ঠিকই আলো ছড়িয়েছেন। তার ব্যাট থেকেই আসে দলের সর্বোচ্চ একক স্কোর। তার দৃঢ়তায় বাংলাদেশের স্কোর ২০০ ছাড়িয়ে যায়। ইনিংসের ছক্কা পর্যন্ত তিনি হাঁকিয়েছেন। তিনি হাঁকান দুই দুটি ছক্কা।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে রুবেল হোসেন রান আউটটা না হলে তিনি হাফসেঞ্চুরিটাও পেতে পারতেন। তিনি ৪৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৪৫ বলের ইনিংসে তিনি ৪টি চার আর ২টি ছক্কা মেরেছেন। রুবেলের আউটের মাধ্যমে শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস।

১০ম উইকেটে তিনি আর রুবেল ৪৩ রানের অতি গুরুত্বপূর্ণ পার্টনারশিপ উপহার দিয়েছেন। আর বাংলাদেশের স্কোর শেষ হয়েছে ২০৮ রানে, ৪ বল বাকি থাকতে।

বাংলাদেশে আবারো শুরু হচ্ছে ব্রিটিশ কাউন্সিলের কার্যক্রম

aux_british_council

বাংলাদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিলের সব অফিস সোমবার থেকে খোলা থাকবে। এর মাধ্যমে সাধারন মানুষের সাথে ব্রিটিশ কাউন্সিলের যত কার্যক্রম ও পরিসেবা আছে সেসবও পুনরায় শুরু হচ্ছে।

আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়ে বলা হয়, বিবিধ সংস্কার কাজের জন্য সাময়িক বন্ধের পর চট্টগ্রাম, সিলেট ও ঢাকার কার্যালয়ে সকলকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রস্তুত ব্রিটিশ কাউন্সিল।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পিয়ারসন এডএক্সেল এক্সামিনেশনস জানুয়ারি ২০১৭-এর সেশনের জন্য নিবন্ধন ২২ সেপ্টম্বর শুরু হয়েছে। শেষ হবে আগামী ১৩ অক্টোবর। স্কুল থেকে যেসব শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে তারা নিজ নিজ স্কুলের সঙ্গে যোগাযোগ করে ইউনিক স্কুল ক্যান্ডিডেট রেজিষ্ট্রেশন লিংকে গিয়ে নিবন্ধন করতে পারবে।

এছাড়াও প্রাইভেট ক্যান্ডিডেট যারা আছে তারা তাদের ওয়েবসাইট www.britishcouncil.org.bd-এ গিয়ে পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট এবং দিনাজপুরের সকল পরীর্ক্ষীদের জন্যই উক্ত সেবাটি দিয়ে যাবে ব্রিটিশ কাউন্সিল।

অক্টোবর ও নভেম্বর, ২০১৬ এর আইইএলটিএস এর তারিখগুলো এখন উন্মুক্ত।আইইএলটিএস এর প্রার্থীরা অনলাইনে ielts.britishcouncil.org এই লিঙ্কটির মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ব্রিটিশ কাউন্সিলের ইংরেজি ভাষা শিক্ষার চতুর্থ টার্ম শুরু হবে আগামী ১২ অক্টোবর। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে লেভেল টেস্টের জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন। এজন্য তারা ঢাকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও উত্তরা এবং চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ টিচিং সেন্টারগুলোতে ইংরেজি শিক্ষার কোর্সের জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন। এছাড়াও, ব্রিটিশ কাউন্সিল এর সকল ব্যবসায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও কর্মশালা অব্যাহত থাকবে।

কার্যক্রম অস্থায়ীভাবে বন্ধ থাকার সময় ক্রমাগত সহায়তায় জন্য ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ সরকার, সকল শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সহযোগিদের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়েছে।

সূত্র : বাসস